bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

সিএমপিতে ইয়াবা বাণিজ্যে লিপ্ত অনেক পুলিশ সদস্য

image-188502-1560743602.jpg

ইয়াবাসহ গ্রেফতার এসআই সিদ্দিকুর কারাগারে

আহমেদ মুসা |

সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের টিএসআই (টাউন সাব-ইন্সপেক্টর) সিদ্দিকুর রহমান বিশাল সিন্ডিকেট করে দীর্ঘদিন ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। সিদ্দিকুরের ইয়াবা ব্যবসা অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

তার সিন্ডিকেটে ছিলেন অনেক পুলিশ সদস্য। ওসি পর্যায়ের এক বা একাধিক কর্মকর্তাও সিদ্দিকুরের ইয়াবা বাণিজ্যের অংশীদার হয়ে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা বানিয়েছেন বলে জানা গেছে।

র‌্যাব ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অভিযানে শুক্রবার ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার হওয়ার পর সিদ্দিকুরের ইয়াবা বাণিজ্যের নানা তথ্য বেরিয়ে আসছে।

এদিকে সিদ্দিকুরের বিরুদ্ধে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপপরিদর্শক সঞ্জয় গুহ ডবলমুরিং থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন। শনিবার এই মামলায় সিদ্দিকুর আদালতে হাজির হওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনি এলাকা থেকে টিএসআই সিদ্দিকুর রহমানকে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেন র‌্যাব ও সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা।

টিএসআই সিদ্দিকুর রহমান টেকনাফের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে চট্টগ্রামে ইয়াবা পাচার করে আনতেন। সূত্র আরও জানায়, কর্ণফুলী থানায় ফাঁড়ির দায়িত্ব পালনের সময় এসআই সিদ্দিকুর রহমান ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। সিদ্দিকুর রহমান এক মাস আগে কর্ণফুলী থানা থেকে বদলি হয়ে সিএমপির ট্রাফিক বিভাগে যোগ দেন। এদিকে র‌্যাব-৭ গোপনে তথ্য নিতে থাকে। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার বিকালে ইয়াবার চালানসহ ধরা পড়ে যায় এসআই সিদ্দিকুর।

সূত্র জানায়, নগরীর বাকলিয়া থানার এসআই খন্দকার সাইফুদ্দিন ও টিএসআই সিদ্দিকুর রহমান একই সিন্ডিকেটের। সাইফুদ্দিনকে নগর পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত বছরের ১ সেপ্টেম্বরে এসআই সাইফুদ্দিন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। এসআই সাইফুদ্দিন কারাগারে যাওয়ার পর পুলিশের এই ইয়াবা সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিতে শুরু করেন টিএসআই সিদ্দিকুর রহমান। সর্বশেষ শুক্রবার ধরা পড়েন তিনি। সূত্র জানায়, বাকলিয়া থানায় কয়েক বছর আগে কর্মরত একজন ওসিও ইয়াবা বাণিজ্য করে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকার মালিক বনেন বলে অভিযোগ চাউর আছে। ওই ওসি এখন নগরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ থানায় কর্মরত আছেন।

র‌্যাব-৭ এর উপ-অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার সাফায়াত জামিল ফাহিম যুগান্তরকে বলেন, এসআই সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেফতারের পর তার সিন্ডিকেটে আরও কিছু পুলিশ সদস্য জড়িত রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

নগরীতে ইয়াবাসহ যত পুলিশ সদস্য গ্রেফতার : গত বছরের ৩১ আগস্ট নগরীর হোটেল আল ফালাহ থেকে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ তিন পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হলেন জহিরুল ইসলাম, পলাশ ভট্টাচার্য ও আনোয়ার হোসেন শাহিন। ২০১৬ সালের ১১ নভেম্বর শাহ আমানত সেতু এলাকা থেকে এক হাজার ৭০০ পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেন বাকলিয়া থানার তৎকালীন এএসআই মো. রিদওয়ান। ওই ইয়াবা নিউমার্কেট মোড় এলাকায় বিক্রির সময় ধরা পড়েন রিদওয়ান।

গত বছরের ১২ জুলাই তিন সহযোগীসহ আবারও ধরা পড়েন রিদওয়ান। একইদিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাসার ফার্নিচার বহনকারী একটি ট্রাকের ফাইল কেবিনেট থেকে ২৯ হাজার ২৮৫টি ইয়াবা উদ্ধার করে র‌্যাব। এ ঘটনায় নগর পুলিশের এসআই বদরুদ্দোজাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। গত বছরের ২ এপ্রিল এ মামলায় পুলিশ কনস্টেবল কামরুজ্জামান কামরুলকে গ্রেফতার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

২০১৭ সালের ২৮ নভেম্বর কর্ণফুলী থানার মইজ্জ্যারটেক এলাকা থেকে গ্রেফতার হন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের গোয়েন্দা ইউনিটের (ডিবি) সহকারী উপপরিদর্শক আনোয়ার হোসেন। তার কাছে ১ হাজার পিস ইয়াবা মিলে। একই বছরের ২৬ আগস্ট আগ্রাবাদ চৌমুহনী এলাকা থেকে এসআই আফাজ উল্যাহ এবং তার দুই সহযোগী মো. খোরশেদ আলম ও শহীদ উল্লাহকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

যুগান্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort