bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

রোহিঙ্গা-এনজিও তাড়িয়ে দেশটাকে পাপ মুক্ত করতে হবে!

faridul-Mostafa-khan.jpg

ফরিদুল মোস্তফা খান : প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এনজিওরা চায়না রোহিঙ্গারা দেশে ফিরে যাক । এটাকি তাদের বাপের দেশ ? এনজিওরা উচ্চ বেতনে চাকুরীর কথা বলে দেশের মাল লুটেপুটে খাচ্ছে । জড়িয়ে পড়ছে মাদক ব্যবসায় । স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে কক্সবাজার টেকনাফ উখিয়ার ভাড়বাসায় জোড়া জোড়া রাত কাটাচ্ছে অনেকে । ট্রেনিং এর কথা বলে তারা কক্সবাজারের তারাকা মানের হোটেল গুলোতে বসায় রসের মেলা । এছাড়া হরেক দেশ দ্রোহী অপকর্মের অভিযোগ তাদের তাদের বিরুদ্ধে। তাই স্থানিয় সচেতন মহল মনে করছেন দেরি না করে রোহিঙ্গা এবং এনজিও তাড়িয়ে দেশটাকে পাপ মুক্ত করতে হবে। অনেক তরুণীর বাবা ও স্বামীরা বলছেন, এনজিওর কারণে তাদের সর্বনাশের গল্প । বাড়িঘরের অশাস্তি।

জানা গেছে,নিজ দেশে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে মানবিক আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গারা ক্রমশ দেশের বিষফোড়া হয়ে উঠছে। ইয়াবা, মানব পাচার ও হাটবাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরের অভ্যন্তরে একাধিক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আধিপত্য বিস্তারে তাদের মধ্যে বাড়ছে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা। চলছে অস্ত্রের মহড়াও। চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত তাদের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে খুন হয়েছেন ৩৮ রোহিঙ্গা। বাড়ছে অপহরণ, ধর্ষণসহ নানা অপরাধও। এছাড়া বাংলাদেশে স্থায়ী হওয়া কিংবা ভিন্ন কোনো রাষ্ট্রে পাড়ি দেয়ার চেষ্টায় অনেক রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ প্রতিদিন ক্যাম্প ছাড়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
এভাবে ক্যাম্প ত্যাগ করে নানাভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত বা জেলার চেকপোস্টগুলোতে আটক হয়ে গত দেড় বছরে প্রায় ৫৬ হাজার রোহিঙ্গাকে ক্যাম্পে ফেরত আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন।
তার মতে, আশ্রিত রোহিঙ্গাদের আবাসন এলাকায় নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় তারা অনায়াসে ক্যাম্প থেকে যখন তখন বের হচ্ছে। এভাবে নানা উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। কোনোভাবে দেশের আনাচে কানাচে তারা ভীত গাড়তে পারলে জড়াতে পারে নানা অপরাধেও। তার আইডেনটিটি না থাকায় অপরাধ করে সহজে আত্মগোপনে যেতে পারার সম্ভাবনা শতভাগ। তাই দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক দৃষ্টি দিয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্প এলাকায় কাঁটাতারের সীমানা বেষ্টনী তৈরির প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে অভিমত পুলিশ কর্মকর্তা ইকবাল হোসাইনের।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri