bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

টেকনাফে অপহরণ ও মুক্তিপণ আতংকে পাহাড়ী জনপদের মানুষ!

up-2.jpg

হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফে পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি স্বশস্ত্র দূর্বৃত্ত গ্রুপ অবস্থান করে শরণার্থী ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপহরণ এবং মুক্তিপন আদায়কারী চক্রের অপতৎপরতা বিরাজমান থাকায় পাহাড়ী জনপদের স্থানীয় মানুষজন এখন আতংকের মধ্যে রয়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়,উপজেলার হোয়াইক্যং রইক্ষ্যং পাহাড়, কম্বনিয়া পাড়া পাহাড়, শিয়াইল্যা পাহাড়, মরিচ্যাঘোনা-হ্নীলা পানখালী পাহাড়, উলুচামরী, রঙ্গিখালী, আলীখালী, লেদা পাহাড়, মোচনী, নয়াপাড়া, জাদিমোরা শালবাগান পাহাড়ে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা ও কতিপয় স্থানীয় স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্ত চক্র এবং লোকালয়ে মিশে থাকা তাদের দোসরদের সহায়তায় অপহরণ করে মুক্তিপণ বাণিজ্য চালিয়ে আসছে। গত ১ মাসে উপরোক্ত এলাকায় দুই ডজনের অধিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। আলীখালী, রঙ্গিখালী, লেদা, নয়াপাড়া এবং জাদিমোরার স্থানীয় জনসাধারণ এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন ও আতংকিত বলে জানান। লেদা রোহিঙ্গা বস্তির আইয়ুব, জাফর, মোচনী ক্যাম্পের হাসান, নয়াপাড়ার আব্দুর রাজ্জাক, সোলতান ও শাল বাগানের জনৈক জহির এসব ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও আতংকে এসবের প্রতিবাদ করতে পারেনা বলে জানান।
এদিকে টেকনাফ সদর ইউপির পাহাড়ী জনপদে আইন-শৃংখলা বাহিনীর বিশেষ কার্য্যক্রমে কুখ্যাত বনদস্যু আব্দুল হাকিমের আস্তানা গুড়িয়ে শরণার্থী ক্যাম্প এলাকায় অবস্থান করার ফলে এসব অপতৎপরতা কমলেও বাহারছড়া চৌকিদার পাড়া, জাহাজপুরা, কচ্ছপিয়া, শিলখালী পাহাড় এলাকাসহ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত মানুষের বাড়িতে ডাকাত দল হানায় দেওয়ায় মানুষের রাত কেটেছে ডাকাত আতংকে। চৌকিদার পাড়া থেকে এক বৃদ্ধ এবং কিশোর রাখালকে পাহাড় থেকে ধরে নিয়ে দূবৃর্ত্ত দল মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার পর থেকে এসব দূবৃর্ত্ত দলের অপতৎপরতা বাড়ছে বলে ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বার আনোয়ারা বেগম স্বীকার করেন। হাজম পাড়া গ্রামের লোকজন নিয়মিতভাবে গ্রামে পাহারা বসিয়ে পাহারা দিচ্ছে বলে স্থানীয় জনৈক ছালামত উল্লাহ জানান।
আইন-শৃংখলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে এছাড়া গত ২/৩ মাস ধরে পর্যায়ক্রমে এসব কর্মকান্ড অব্যাহত থাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী স্বচ্ছল ও বিত্তবান পরিবার সমুহ বসত-বাড়ি লুটপাট এবং হামলার আতংকে রয়েছে। এই বিষয়ে আইন-শৃংখলা বাহিনীর বিশ্বস্থ একাধিক সুত্রের দাবী এসব অপতৎপরতা দমনে স্থানীয় জনসাধারণকে সজাগ থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন বাহিনীর আরো টহল জোরদার করতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল হাসান জানান,উক্ত বিষয়টি বিভিন্ন ফোরামে আলোচনা হয়েছে। আগামী আইন-শৃংখলা সভায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পাহাড়ী জনপদ কেন্দ্রিক অপহরণ এবং মুক্তিপণ আদায় সংক্রান্ত ব্যাপারে কঠোর সিদ্বান্ত নিয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে উক্ত বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri