bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

টেকনাফে অনিয়ন্ত্রিত ফলফলাদির বাজার !

f-1.jpg

জসিম উদ্দিন টিপু : টেকনাফের হাটবাজার সমূহে ফল ফলাদির বাজার অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে। ফলের বাজার অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ায় বিক্রেতারা ইচ্ছামত দাম হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে ক্রেতা সাধারণের অভিযোগ। ঈদকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ী চক্র নিজের মত দাম হাতিয়ে নিচ্ছেন জানিয়ে ব্যবসায়ী ও রাজনীতিক নেতা মাওলানা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ফলের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনার দাবী জানান। তিনি বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ফল ফলাদির মৌসুমেও টেকনাফের হাট বাজারে ফলের মাত্রাতিরিক্ত মূল্যে ক্রেতা সাধারণ অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এদিকে বাজার মনিটরিং জোরদার না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ী চক্র সিন্ডিকেট করে ফলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে মনে করছেন ক্রেতা সাধারণ। ফলের মৌসুমে মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদারের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন সচেতন মহল। উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকার বাসিন্দা আবছার কবির আকাশ জানান,ঈদের আগে থেকে ফল বিক্রেতারা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। ক্রেতা সাধারণের কাছ থেকে নিজেদের মত দাম হাতিয়ে নিচ্ছেন। তিনি আরো জানান,হোয়াইক্যং,হ্নীলা,বাহারছড়া ও টেকনাফ বাজারে আপেল কেজি প্রতি ৩শ টাকা,মাল্টা কেজি প্রতি ২শ ৫০টাকা,লিচু শত প্রতি ৪শ টাকা,আঙ্গুর কেজি প্রতি ৫শ ৮০ টাকা,দেশীয় আম কেজি প্রতি ২শ টাকা,চাইনিজ তরমুজ কেজি প্রতি ১শ ৫০টাকা,দেশীয় তরমুজ প্রতি পিচ ৩শ থেকে ৫শ টাকায় বিক্রি করছে। এছাড়াও যাবতীয় ফলফলাদিতে অসাধুরা মূল্য বাড়িয়ে অতিরিক্ত দাম হাতিয়ে নিচ্ছেন। তবে,উপজেলার হ্নীলা এলাকার ফল বিক্রেতা ওসমান দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন,চট্টগ্রাম কেন্দ্রীক আড়তদারেরা সিন্ডিকেট করে ফলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। নিরুপায় হয়ে তারাও বেশী দামে বিক্রি করছেন বলে তিনি দাবী করেন।
হ্নীলা ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি বাহাদুর শাহ তপু জানান,ঈদ এবং ঈদ পরবর্তী সময়েই শ্রমজীবি মানুষসহ নি¤œ মধ্যবিত্ত শ্রেনীর লোকেরা ফল কিনতে পারেননি। মাত্রাতিরিক্ত মূল্যের কারণে ফলের বাজারে তাদের ভীড় লক্ষ্য করা যায়নি জানিয়ে তিনি ফলফলাদির বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা বাজার মনিটরিং কমিটির দৃঢ় হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকার বাসিন্দা আব্বাছ আলী জানান,ফলের দোকানীরা যে যেভাবে পারে সেভাবেই দাম হাতিয়ে নিচ্ছেন। এখানকার ফলের বাজার একেবারেই অনিয়ন্ত্রিত জানিয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারছড়া শামলাপুল এলাকার বাসিন্দা উন্নয়নকর্মী জালাল উদ্দিন ও মো: আলমগীর জানান,ফলের দোকানে যাওয়াটাও মুশকিল। অস্বাভাবিক মূল্য হাতিয়ে নিচ্ছেন এখানকার ফল ব্যবসায়ীরা। বাজার তদারকীর অভাবে বিক্রেতারা বেপরোয়া হয়ে গেছে জানিয়ে তাঁরাও ফলের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। জানতে চাইলে উপজেলা বাজার মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রবিউল হাসান বলেন,এই ধরণের অভিযোগ আগে কখনো পায়নি। এটা খুবই দু:খজনক জানিয়ে জনসাধারণের স্বার্থ বিবেচনায় শীঘ্রই তিনি অভিযান পরিচালনা করবেন বলে জানান।#

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort