টেকনাফ বার্মিজ মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা করতে গিয়ে ইভটিজিংয়ে শিকার হচ্ছে মেয়েরা

images-9.jpeg

ফাইল ছবি

শহিদুল্লাহ শহিদ টেকনাফ :

টেকনাফে ঈদ মার্কেটিং করতে গিয়ে মেয়েরা ইভটিজিংয়ে শিকার হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টেকনাফ বাজারের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী যারা ইয়াবা ব্যবসা করে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা আয় করে বর্তমানে বৈধ ব্যবসায়ী হিসেবে পার পেতে টেকনাফ বার্মিজ মার্কেটে কসমেটিক্স এবং বিভিন্ন দোকান নিয়ে বসে আছে।

সেসব দোকানে যখন ছেলে মেয়েদের জন্য কাপড় এবং বিভিন্ন কিছু কেনাকাটা করার জন্য যায় তখন দোকানদার এবং দোকানের কর্মচারীরা বিভিন্ন কৌশলে মেয়েদের কে উক্ত্যক্ত করে যাচ্ছে।

এবং বিভিন্ন কৌশলে কাগজে নাম্বার লিখে শপিং ব্যাগে ঢুকিয়ে দেয়। মেয়েরা ভয়ে এবং লজ্জায় কিছু বলতে পারে না। এই ভাবে বিভিন্ন দোকানের কর্মচারীরা নারীদের কে ইভটিজিং করে আচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে টেকনাফ বার্মিজ মার্কেটে মেয়েদের কাপড়ের দোকান এবং কসমেটিক্স এর দোকানের কর্মচারীদের কাছে অনেক মা ও বোন ইভটিজিংয়ে শিকার হচ্ছে।

টেকনাফ শহরে বার্মিজ মার্কেট,নিউ গনি মার্কেট, সহ বিভিন্ন মার্কেটে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন পয়েন্টে ৫ থেকে ৬জনের কয়েকটি যুবকের দল দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছে। মেয়েরা যাতায়াত বা মার্কেটে ঢুকলেই কৌশলে উত্যক্ত করে থাকে।

বিভিন্ন ভাবে মেয়েদের কে নাম্বার দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং কোনো কাজ ছাড়াই তারা দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে থেকে পাশ দিয়ে মেয়েরা গেলেই বিভিন্ন অশ্লীল বাক্য ছুঁড়ে দিচ্ছে।

এভাবেই প্রতিদিন শত মহিলা ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছে। অনেকেই প্রতিবাদ করতে গিয়ে উত্যক্তকারীদের সঙ্গে বাকবিতন্ডতার ঘটনা ঘটছে অহরহ। অনেক সময় ভীড়ের মধ্যে মেয়েদের গায়ে ধাক্কা ও হাত বুলাচ্ছে বখাটেরা।

টেকনাফ বিভিন্ন স্কুল এবং সরকারি কলেজের কয়েকজন ছাত্রী বলেন, কেনাকাটার জন্য মার্কেটে আসতে হয়। বখাটেরা যাতায়াতের সময় বিভিন্ন অশ্লীল মন্তব্য করে। অনেকেই ইচ্ছে করেই, ভিড় জমিয়ে গায়ে ধাক্কা ও হাত দেওয়ার চেষ্টা করে। এখন ঈদে মানুষের ভিড় বাড়ায় তাদের উৎপাত এখন বেশি বেড়েছে।

শাহপরীরদ্বীপ এলাকার মরিয়াম নামের এক মহিলা বলেন আমার মেয়ে‌ আর আমি একটা বার্মিজ মার্কেট কসমেটিক্সের দোকানে যায়, কিছু কিনা কাঁটা করার পর চলে আশার সময় দোকানের কর্মচারী একটা নাম্বার লিখে চুরি করে আমার মেয়ের শপিংয়ের পেকেটে ঢুকিয়ে দেয়, যখন মহিলা দেখতে পাই, জিজ্ঞাসা করলে দোকানের কর্মচারীরা বলে কোন সমস্যা হলে কল দিও। মহিলাটি নিজের সম্মান রক্ষার্থে চলে যায়।

টেকনাফে বিভিন্ন দোকানের কর্মচারীদের ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছে মেয়েরা, এই বিষয়ে টেকনাফের সকল প্রশাসন ও সরকারি কর্মকর্তা গোয়েন্দা সংস্থা এবং সকলের কাছে এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানান টেকনাফ এলাকার মা ও বোনেরা