bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

অক্টোবরে জাতীয় সম্মেলনের আগেই সহযোগী সংগঠনও ঢেলে সাজাবে আওয়ামী লীগ

AL.jpg

গঠনতন্ত্রের ২৫ (২) এর (ক) ধারা অনুযায়ী আওয়ামী লীগের স্বীকৃত সহযোগী সংগঠনের সংখ্যা সাতটি। সেগুলো হল- বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ কৃষক লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ ও বাংলাদেশ তাঁতী লীগ। এছাড়া গঠনতন্ত্র অনুসারে জাতীয় শ্রমিক লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন হিসেবে স্ব স্ব গঠনতন্ত্র হিসেবে পরিচালিত হয়।

হাসিবুল হাসান |

এবার সংগঠন গোছানোর দিকে নজর আওয়ামী লীগের। অক্টোবরে জাতীয় সম্মেলন করার ঘোষণা দিয়েছে আগেই। তৃণমূলে কর্মিসভা ও সম্মেলনের মাধ্যমে সেই উদ্যোগ শুরুও করেছে দলটি। তার আগে দলের সহযোগী সংগঠনগুলোকেও তৃণমূল পর্যন্ত ঢেলে সাজাতে চায় ক্ষমতাসীনরা। ইতিমধ্যেই সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর মধ্যে যাদের মেয়াদ পার হয়ে গেছে সেগুলোর কেন্দ্রীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দলটির নীতিনির্ধারণী মহল চাইছে, অক্টোবরে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলন শেষ করতে।

মঙ্গলবার সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে যৌথ সভা শেষে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, দলের আগামী জাতীয় সম্মেলন যথাসময় অক্টোবরেই সম্পন্ন হবে। আমাদের সংগঠনকে তৃণমূল পর্যন্ত ঢেলে সাজিয়ে জাতীয় কাউন্সিল করতে পারব। পাশাপাশি আমাদের যে সব সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন আছে, যেসব সংগঠনের মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে বা মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে তাদেরকেও কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করার জন্য আমাদের সভা থেকে নির্দেশনা দিয়েছি। তারাও তৃণমূল পর্যন্ত তাদের সংগঠনকে ঢেলে সাজিয়ে নির্ধারিত সময়ের মাঝে কাউন্সিল সম্পন্ন করতে পারবে। গঠনতন্ত্রের ২৫ (২) এর (ক) ধারা অনুযায়ী আওয়ামী লীগের স্বীকৃত সহযোগী সংগঠনের সংখ্যা সাতটি। সেগুলো হল- বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ কৃষক লীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ ও বাংলাদেশ তাঁতী লীগ।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সহযোগী সংগঠনগুলো ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেদিনই তিনি মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ, তাঁতী লীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেন। এরপর ২০১৭ সালের শুরুর দিকে আওয়ামী লীগের তিন সহযোগী সংগঠন- মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ ও তাঁতী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সে বছর আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সম্মেলনের কথা থাকলেও তা হয়নি। পরে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ গঠন করে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সংগঠনটি এখনও তাদের কোনো শাখা কমিটিই দিতে পারেনি। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের ব্যস্ততার কারণে সেসময় যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং কৃষক লীগ তাদের সম্মেলন করতে পারেনি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের মূল দলের ক্ষেত্রে গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতা অনুসরণ করলেও সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলনের ক্ষেত্রে তা বেশিরভাগ সময়ই নির্ধারিত সময়ে হয়নি। আর নেতৃত্ব পাওয়ার পর সহযোগী সংগঠনের নেতারাও তা দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে চান। তারা চেয়েছেন যে কোনো ভাবে সময় পার করতে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর এক নেতা যুগান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগের বিগত সম্মেলনের পর থেকেই আমরা মূলত নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ফলে এই সময়ে সংগঠনকে ঢেলে সাজানো সম্ভব হয়নি। কিন্তু আমাদের সভাপতি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) এবার দলকে তূণমূল পর্যন্ত ঢেলে সাজানোর নির্দশনা দিয়েছেন। অক্টোবরে আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন হবে। তাই এর আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী সংগঠনসহ তৃণমূল পর্যন্ত সম্মেলন শেষ করার লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি।

এর আগে ২০১২ সালের ১১ জুলাই স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ১৪ জুলাই যুবলীগ এবং ১৯ জুলাই কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তিন বছর পর পর সম্মেলনের কথা থাকলেও মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই চলছে সংগঠনগুলোর কার্যক্রম। গঠনতন্ত্র অনুসারে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ প্রায় দুই বছর আগেই শেষ হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামসুল হক রেজা যুগান্তকে বলেন, আমরা সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত আছি। প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সময় দিলে আমরা যে কোনো সময় সম্মেলন আয়োজনে প্রস্তুত। জেলা-উপজেলার বেশিরভাগ জায়গায় কমিটি আছে দাবি করে তিনি বলেন, আমরা বেশিরভাগ জেলা-উপজেলায় সম্মেলন শেষ করেছি। নির্বাচনের ব্যস্ততার কারণে কিছু জায়গার সম্মেলন বাকি আছে। শিগগিরই সেগুলোও শেষ করা হবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারাও একই ধরনের কথা বলেন। তাদের দাবি, তারা সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত।

এছাড়া গঠনতন্ত্র অনুসারে জাতীয় শ্রমিক লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন হিসেবে স্ব স্ব গঠনতন্ত্র হিসেবে পরিচালিত হয়। এর মধ্যে গত বছরের ১১ মে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের আড়াই মাস পর ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী সভাপতি ও গোলাম রাব্বানী সাধারণ সম্পাদক হন। এরও প্রায় ১০ মাস পর সোমবার আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম এই সংগঠনটির ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আর জাতীয় শ্রমিক লীগের মেয়াদও পার হয়েছে প্রায় তিন বছর আগে। ২০১২ সালের জুলাই মাসে সংগঠনটির সর্বশেষ জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র যুগান্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
error: Content is protected !!
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort