bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

টেকনাফে চলতি মৌসুমে লবণের বাম্পার উৎপাদন : ন্যায্য মূল্য না পেয়ে অসন্তোষ চাষীরা !

66.jpg

হুমায়ূন রশিদ / জসিম উদ্দিন টিপু / মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম : টেকনাফে বিগত কয়েক মৌসুমের চেয়ে চলতি মৌসুমে লবণের বাম্পার উৎপাদন হলেও চাষীরা ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছে। তবুও লবণ মিল মালিকদের কারসাজি বন্ধে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন লবণ চাষী ও ব্যবসায়ীরা।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ, নয়াপাড়া, সদরের নাজিরপাড়া, পৌরসভার জালিয়া পাড়া, চৌধুরী পাড়া, হ্নীলার দমদমিয়া, জাদিমোরা, মুচনী, লেদা, আলীখালী, রঙ্গিখালী, নাটমোরা পাড়া, ফুলের ডেইল, ওয়াব্রাং, মৌলভী বাজার, হোয়াইক্যংয়ের খারাংখালী, নয়াবাজার, ঝিমংখালী, মিনাবাজার, নোয়াপাড়া, কাঞ্জরপাড়া, উনছিপ্রাং, লম্বাবিল, বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর, দক্ষিণ ও উত্তর শীলখালী এলাকায় লবণ চাষ করা হয়েছে। এই বছর নতুন করে উপকূলীয় বাহারছড়ায় প্রায় ২শ একরসহ ২০১৮-২০১৯ইং মৌসুমে ৩ হাজার ২শ ২৭একর জমি লবণ চাষের আওতায় এসেছে। চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত উল্লেখিত জমিতে ১লক্ষ ৫হাজার ৫শ মেট্টিক টন লবণ উৎপাদন হয়েছে বলে বিসিক টেকনাফ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান। তিনি আরো বলেন, এই মৌসুমে টেকনাফে রেকর্ড পরিমাণ লবণ উৎপাদন হয়েছে। যা গত মৌসুমের চেয়ে দ্বিগুণ লবণ উৎপাদন হয়েছে বলে আশা করছি।

প্রসিদ্ধ লবণ ব্যবসায়ী পানখালীর খলিল আহমদ, উলুচামরী কোনার পাড়ার জাফর আলম, আলীখালীর সোনালী জানান, খরচ অনুপাতে লবণের দাম খুব কম। এই বছর লম্বা মৌসুম না হলে অনেক চাষীর কপালে হাত দিতে হতো।

হ্নীলা লবণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ছাবের খাঁন ও সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মোঃ আনিম জানান, আশাতীত লবণ উৎপাদন হলেও খরচ অনুপাতে লবণের দাম নেই। যা খুবই দুঃখজনক। লবণ চাষী এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় বিদেশ থেকে লবণ আমদানী বন্ধ রাখার জন্য সরকারের নিকট দাবী জানাচ্ছি। লবণ মিল মালিকেরা সিন্ডিকেট করে নিজেদের স্বার্থরক্ষায় পরিকল্পিতভাবে লবণের মূল্য কমিয়ে দিয়েছেন। লবণ চাষীদের বৃহৎ স্বার্থে লবণ মিল মালিকদের যোগ-সাজসের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এদিকে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সুশীল সমাজ মনে করেন,এই বছর প্রাকৃতিক পরিবেশসহ সবকিছু অনুকূলে থাকায় অন্য বছরের চেয়ে দ্বিগুণ লবণ উৎপাদন হয়েছে। টেকনাফে রেকর্ড পরিমাণ লবণ উৎপাদন হলেও খরচ অনুপাতে লবণের মূল্য না থাকায় চাষীদের মাঝে এক ধরণের অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। উৎপাদনকারীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিলেও কতিপয় ব্যবসায়ী এবং মওজুদদার হাজার হাজার মণ লবণ গোদামজাত করতে দেখা গেছে। কৃষকদের অনেকে বলছেন, পরিবর্তনশীল জলবায়ু লবণ চাষের জন্য ইতিবাচক বার্তা এনে দিয়েছে। তাই তারা অন্য মৌসুমের তুলনায় দ্বিগুণ লবণ উৎপাদনে সমর্থ হয়েছেন।

হোয়াইক্যং মডেল ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী জানান, লবণ চাষীদের স্বার্থরক্ষায় এবং লবণ শিল্পের জন্য একটি মাষ্টার প্লান করা দরকার। তিনি লবণ চাষীদের উৎসাহ দানে বিনা সুদে লোনের ব্যবস্থাসহ সরকারী-বেসরকারীভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানান।

বিসিক কক্সবাজার অঞ্চলের কো-অর্ডিনেটর ছৈয়দ আহমদ জানান,এই বছর টেকনাফসহ কক্সবাজারে ৫৯ হাজার একর জমিতে লবণ চাষ হয়েছে। আবহাওয়া ও প্রকৃতি অনুকূলে থাকায় এবছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী লবণ উৎপাদন হচ্ছে। এখানে উৎপাদিত লবণ দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাইরেও রপ্তানী করতে পারবে জানিয়ে তিনি জনস্বার্থে লবণ আমদানী বন্ধ রাখতে সরকারের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
error: Content is protected !!
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort