porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

(ফলোআপ) : বন্দুক যুদ্ধে দুদু মিয়া নিহত হলেও হ্নীলার সিন্ডিকেটটি ধরা-ছোঁয়ার বাইরে!

Kalaboda.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক : প্রাণরক্ষার্থে পালিয়ে আত্নগোপনে থাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত মাদক কারবারী দুদু মিয়া নিহত হলেও পুরো উপজেলায় তার একাধিক সিন্ডিকেট রয়েছে। এসব সিন্ডিকেটের মধ্যে সে আশ্রয় নেওয়া পশ্চিম সিকদার পাড়া-উলুচামরী এলাকায় গড়ে উঠা মাদক কারবারীরা বরাবরই রহস্যজনক কারণে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকায় উক্ত এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, সরকারের জঙ্গিবাদ, মাদক, দূর্নীতি ও সন্ত্রাস বিরোধী জিরো টলারেন্সনীতির আলোকে সাড়াঁশি অভিযান শুরু হলে তালিকাভূক্ত মাদক কারবারীদের একটি অংশ বিদেশ পালিয়ে যায় আর কিছু সংখ্যক সরকারের নিকট আত্নসমর্পণ করেন। ইতিমধ্যে আইন-শৃংখলা বাহিনীর অভিযানে বন্দুক যুদ্ধে নিহতের পাশাপাশি অনেকে আটক হয়ে কারাগারে রয়েছে। অনেকে পাহাড়ের পাদদেশে আশ্রয় নিয়ে কৌশলে মাদক বাণিজ্য চালিয়ে আসছে।

পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালালেও প্রকৃতপক্ষে এসবের তোয়াক্কা না করে এলাকা ভিত্তিক বিশেষ সিন্ডিকেট এখনো তৎপর রয়েছে। বন্দুক যুদ্ধে নিহত দুদু মিয়াসহ ১০/১৫ জনের শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট উলুচামরী-পশ্চিম সিকদার পাড়ায় বিদ্যমান রয়েছে। দুদু মিয়া ভোরে পুলিশের হাতে আটক হলেও যানবাহনের যোগান এবং খাইয়ে পাচারের জন্য একটি ইয়াবার চালান সংগ্রহের জন্য উলুচামরী এলাকার কাঠুরিয়া থেকে লবণ শ্রমিক আর লবণ মাঝি হতে ইয়াবা গডফাদার বনে যাওয়া জাফর আলমের পুত্র হেলাল উদ্দিন প্রকাশ নাক কাটা হেলালের নিকট ৪ লক্ষ টাকা প্রদান করে। পরদিন পুলিশের মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে দুদু মিয়া মারা যায়। জনৈক স্বাক্ষীর মারফতে জেনে নিহত দুদু মিয়ার স্ত্রী উক্ত টাকা ফেরত চাইলে গত ১১ মে রাত থেকে সংঘর্ষের উপক্রম চলছে। উপরোক্ত বিষয়ে অভিযুক্ত কালাবদার বক্তব্য নেওয়ার জন্য বার বার চেষ্টা করেও কোন ধরনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উক্ত এলাকার কয়েকজন শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চাকরীজীবি ও সচেতন মানুষের নিকট জানতে চাইলে বলেন, বর্তমানে এই এলাকায় যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে ইজ্জত-সম্মান নিয়ে চলাফেরা করা খুবই কঠিন। এদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুললে নিরাপত্তা দিবে কে বলে প্রশ্ন ছুড়েন? এসব মাদক কারবারী কয়েক জনের নিকট জানতে চাইলে বলেন,আমাদের পেলে এমনিতেই মেরে ফেলবে তাই যতদিন বাঁচি আছি সোনার ডিম হাতছাড়া করতে নারাজ বলেই এখনো এই কাজ করি। এই মাদক চক্রের কাছ থেকে বিভিন্ন গ্রæপের মানুষ সুযোগ-সুবিধা নেওয়ায় কথার কথায় বললেও প্রকৃতভাবে মাদক কারবারীদের ছত্র-ছায়া দান করে আসছে বলে জানা গেছে।
উলুচামরী লেচুয়াপ্রাং এলাকার হেলাল উদ্দিন প্রকাশ নাককাটা কালাবদা, জসিম উদ্দিন, আনোয়ার হোছাইন, ওমর ফারুক, ইমান হোছন প্রকাশ ইমাইন্যা, ফরিদ আলম, পশ্চিম সিকদার পাড়ার বার্মাইয়া ফায়সাল, দেলোয়ার হোছন, জামাল উদ্দিন, ইব্রাহীম, কায়সার উদ্দিন, গুললিয়া, আব্দুল মজিদ, লেইগ্যা জালাল, জসিম, জয়নাল নামে বেশ ক‘জন ইয়াবা কারবারী এখনো তৎপর বলে জানা গেছে। আবার এদের মধ্যে আড়ালে থেকে কলকাটি নাড়ছে বলে একাধিক সুত্র জানায়।

এই ব্যাপারে হ্নীলা ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন,আমরা অনেক মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচারনা করেছি তবুও জনৈক নাক কাটা কালাবদার সাথে মাদকের সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে উত্তেজনার বিষয়টি জেনেছি। আমি প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার আহবান জানাচ্ছি।

হ্নীলা ইউপির ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার জামাল উদ্দিন বলেন,এই মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অনেক বার সচেতন করেছি। তারা এই নিষেধ না মানায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান জানানোর দাবী জানাচ্ছি।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri