porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

টেকনাফে ভাইরাস ও ডায়েরিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে!

Teknaf-Pic-B-11-05-19.jpg

জসিম উদ্দিন টিপু : টেকনাফে ভাইরাস জ¦রে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশংকাজনকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ভিড়ে সরকারী-বেসরকারী হাসপাতালে তিল ধরণের ঠাঁই নেই।
হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তারেরা জানায়,ভাইরাসের পাশাপাশি ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,অতিরিক্ত তাপদাহ এবং পরিবর্তনশীল জলবায়ুর প্রভাবে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এই বছর ভাইরাস জ¦রে আক্রান্ত হচ্ছেন বেশীর ভাগ মানুষ। শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্ত বয়স্ক পর্যন্ত ভাইরাস জ¦রে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। ভাইরাসের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত পাবলিক স্কুল গুলোতে ছাত্র/ছাত্রীর উপস্থিতিতে পর্যন্ত প্রভাব পড়েছে। এদিকে হাসাপাতালের চিকিৎসক পর্যন্তও ভাইরাস থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। সময়মত বিশ্রাম, স্বাস্থ-পুষ্টিকর খাবার ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তীব্র এই গরমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন বিকল্প নেই বলে জানান চিকিৎসকরা।
উপজেলার হ্নীলা উপস্বাস্থকেন্দ্রের ইনচার্জ ডা: শংকর চন্দ্র দেবনাথ এবং ডাক্তার আজাদ মো: নুরুল হোছাইন জানান,রোগী দেখতে দেখতে আমরা নিজেরাও গত তিন দিন ধরে ভাইরাস জ¦র এবং প্রচন্ড মাথা ব্যাথায় ভুগছি। মাত্রাতিরিক্ত গরমে চলাচল করাই মুশকিল জানিয়ে তাঁরা বলেন,রমযান মাস এবং তীব্র তাপদাহের কবলে পড়ে মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন।
উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারছড়া এলাকার মৃত নছরত আলীর পুত্র মাওলানা মোহাম্মদ হোছাইন বলেন,গত ২দিন ধরে টেকনাফ সদর হাসপাতালে ভর্তি আছি। তিনি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মাথা ব্যাথা এবং জ¦রে একেবারে কাবু হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান।
হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী গাজীপাড়া এলাকার মৃত খুইল্যা মিয়ার পুত্র নুর হোছাইন জানান, অসহ্যনীয় ব্যাথায় চলাচল পর্যন্ত করতে পারছিনা। তিনি ২দিনধরে সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বেশ কয়েকবার ডাক্তার পরিদর্শন করেছেন। তবে তিনি এখনো পর্যন্ত রোগ থেকে মোটেও উন্নতি লাভ করতে পারেননি। সাবরাং বাহারছাড়া এলাকার মৃত আব্দুছ সালামের পুত্র শামসুল আলম ভাইরাসে রোগে আক্রান্ত হয়ে টেকনাফ উপজেলা হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি ধরে। এছাড়া শাহপরীরদ্বীপ এলাকার মৃত ইছহাক আহমদের পুত্র কালো মিয়া ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৩দিন ধরে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছেন। চিকিৎসা নিচ্ছেন কিন্তু ব্যাথা এবং জ¦রের কবল থেকে রেহাই পাচ্ছেননা তিনি।
উপজেলার সুনামধন্য পাবলিক স্কুল হ্নীলা প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ মাষ্টার মো: মোফাজ্জল হক জানান,ছাত্র/ছাত্রীরা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। গত সপ্তাহ থেকে টেকনাফে ভাইরাস রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে জানিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: সুমন বড়–য়া জানান,আবহাওয়া পরিবর্তন,প্রচন্ড গরম এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে ভাইরাস জ¦রের পাশাপাশি পাতলা পায়খানা ও বমি করছেন আক্রান্ত রোগীরা। তিনি আরো জানান,পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থকর খাবার পরিবেশন এবং ঠিকমত বিশ্রাম নিলেই ৫-৭ দিনের মধ্যে ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri