porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

গ্রাহকের অজান্তেই রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাচ্ছে সিম, একজনের নামে পাওয়া গেল ২৩ টি

mobile-sim-20180927104318.jpg

সবুর শুভ :
১০ বছর থেকে বাংলালিংক নম্বর ব্যবহার করছেন এপোলো মাকের্টের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আকবর আলী চৌধুরী। একদিন আচমকা বন্ধ হয়ে যায় সিমটি। সুরাহা পেতে জিইসি মোড়ের বাংলালিংক অফিসে যান। জিজ্ঞাসা করেন সিম বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ। বাংলালিংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানালেন বিটিআরসি বন্ধ করেছে। এরপর অনুসন্ধানে মিলল ভয়াবহ তথ্য। আকবর আলী চৌধুরীর নামে ২৩টি সিমের রেজিস্ট্রেশন রয়েছে টেলিটকে! ‘থ’ বনে যান তিনি। কারণ জীবনে কোনদিন টেলিটকের সিম ব্যবহার করেননি এ ব্যবসায়ী। একটা নয় দু’টা নয় ২৩টি সিম?
কে করল এ কাণ্ড। এটা কি বায়োমেট্ট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রেশনের কারিশমা? এ ধরনের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বায়োমেট্ট্রিক পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশন করার সময় নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না বলে তার কাছ থেকে অসংখ্য ফিঙ্গার প্রিন্ট নেয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। এদিকে ভয়াবহ এ পরিস্থিতিতে তিনি ছুটলেন কোতোয়ালী থানায়। গত ১ মে সাধারণ ডায়েরি করেন। ডায়েরিতে তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ এপ্রিল বিকেলে আকবর আলীর বাংলালিংক নম্বরটি বন্ধ হয়ে যায়। কারণ জানতে জিইসির মোড়স্থ কাস্টমার কেয়ারে গেলে সেখান থেকে জানানো হয় আমার নামে ২৩টি সিম রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। এর মধ্যে ২০টি সচল রয়েছে। সবগুলো আবার টেলিটক কোম্পানির।
পরবর্তীতে এমএম আলী রোডস্থ টেলিটকের কাস্টমার কেয়ারে গেলে সেখানে ৪টি সিম ডিঅ্যাকটিভ করা যায়। এরপরও থেকে যায় আরো ১৬টি সিম। এ অবস্থায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন তিনি। তিনি বলেন, এটা কিভাবে সম্ভব? যে সিম আমি কোনদিন ব্যবহার করিনা সেটাতে আমার রেজিস্ট্রেশন হল কিভাবে! এদিকে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির গ্রাহকদের অজান্তেই তাদের আইডি ও ফিঙ্গার প্রিন্ট সম্বলিত তথ্যগুলো কালোবাজারে চলে যাচ্ছে। গ্রাহকের সেসব তথ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম তুলছে একটি চক্র। এটা তারই প্রমাণ। এসব সিম দিয়ে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা, প্রতারণা, চাঁদাবাজি, জঙ্গি কর্মকাণ্ডসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে বেড়াচ্ছে অপরাধীরা। সিম নিয়ে এমন কারসাজি দীর্ঘদিনের। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে বিভিন্ন সময় উদ্ধারও হয়েছে অবৈধভাবে নিবন্ধিত এসব সিম। চট্টগ্রামসহ সারাদেশে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানিগুলোর সিমের অপব্যবহার রোধে সরকার বায়োমেট্রিক পদ্ধটিতে সিম নিবন্ধন করার কাজ সম্পন্ন করে। বায়োমেট্রিকের সময় বিভিন্ন কায়দায় একজন গ্রাহকের বেশ কয়েকটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নেয় সংশ্লিষ্ট চক্রটি। পরে এগুলো ব্যবহার করে মূল গ্রাহকের অজান্তে সিম তুলে নেয়া হয়। সাইবার অপরাধ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ নগর পুলিশের কর্মকর্তা আসিফ মহিউদ্দিন জানান, গ্রাহকের এনআইডি তথ্য ও ফিঙ্গার প্রিন্ট ব্যবহার করে অসাধু একটি চক্র বিভিন্ন সময় অবৈধভাবে সিম নিবন্ধন করে বাজারে ছাড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে এটি হয়ে আসছে। বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের সময় এ কারসাজি হয়ে থাকে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ কমকর্তা আসিফ মহিউদ্দিন বলেছেন, নিয়মানুযায়ী একজন গ্রাহককে বায়োমেট্রিক পদ্ধটিতে সিম রেজিস্ট্রেশন করে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সিম কিনতে হয়। ওই সময় এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়েই সিম নিবন্ধন করতে হয় । সিমটি নিবন্ধন সম্পন্ন হলে ওই অপারেটরের কাছে থাকা গ্রাহকের এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) ও ফিঙ্গার প্রিন্টের তথ্যগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মুছে ফেলা হয় না। সেগুলো সংরক্ষণে থাকছে। আর সেখানেই কারসাজি হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ পিবিআইর পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশন করার সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে একাজ করা হয়েছে।

সূত্র আজাদী অনলাইন

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri