porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চতুর্থ শ্রেণি পাসে রিস্দা এনজিওতে প্রোগ্রাম অর্গানাইজার অফিসার তসলিমা আক্তার

received_657715814681300.jpeg

কায়সার হামিদ মানিক : উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রিস্দা এনজিওর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, কুতুপালং লম্বাশিয়া গ্রামের সিদ্দিক আহমদ সওদাগরের মেয়ে তসলিমা আক্তার ৪র্থ শ্রেণি পাশ করে রিস্দা এনজিওতে প্রোগ্রাম অর্গানাইজার হিসেবে কাজ করছে। জানা গেছে, রিস্দা সংস্থার পিও পোষ্টের জন্য সম্প্রতি লোক নিয়োগের আহবান করা হয়। ওই সময় কুতুপালং পশ্চিম পাড়া গ্রামের সাধ মিয়ার মেয়ে বুলবুল আক্তার এইচএসসি পাশের সার্টিফিকেট দিয়ে ওই এনজিওতে আবেদন করেন। তাদেরকে যথাসময়ে এনজিও সংস্থা থেকে ডাকা হয়। কিন্তু পরীক্ষার ফলাফলে তাকে অযোগ্য ঘোষনা করেন রিস্দা এনজিও সংস্থার পিসি মাসুম বিল্লাহ। প্রেক্ষিতে দেখা যায়, বুলবুল আক্তারের সার্টিফিকেট দিয়ে তসলিমা আক্তারকে প্রোগ্রাম অর্গানাইজার হিসেবে নেওয়া হয়। বর্তমানে সে কুতুপালংয়ে রিস্দা এনজিওর পিও হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। ৪র্থ শ্রেণি পাশে কিভাবে প্রোগ্রাম অর্গানাইজার হওয়া যায় এ নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগে প্রকাশ, পিসি মাসুম বিল্লাহ টাকার বিনিময়ে তসলিমা আক্তারের মাধ্যমে জেএসসি পাশ না করেও চাকুরীতে লোক নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তসলিমা আক্তার ১৫ বছর বয়সে কিভাবে এইচএসসি পাশ করেছে তা বোধগম্য নয়। তসলিমা আক্তারকে দিয়ে অবৈধ ঘুষ আদায়, বিভিন্ন সোর্স হিসেবে প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে আসছে। যেমন- যেসব ছেলেরা জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসিতে উত্তীর্ণ হয় নাই তাদের থেকে তসলিমা আক্তারের মাধ্যমে পিসি মাসুম বিল্লাহ মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আসল নাম পরিবর্তন করে নকল নামে ওই এনজিওতে লোকজনদেরকে চাকুরী দিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে মাসুম বিল্লার সাথে যোগাযোগ করিলে তিনি প্রকৃতি ঘটনার কথা এড়িয়ে যান এবং তসলিমা আক্তার তার সংস্থায় প্রোগ্রাম অর্গানাইজার হিসেবে কাজ করছেন বলে জানান।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri