porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

রোহিঙ্গাদের হাতে এনআইডি ও পাসপোর্ট

3606_me.jpg

প্রতিকী ছবি

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি |

উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফের নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের অধিকাংশ রোহিঙ্গার হাতে এখন বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)। অনেকে পাসপোর্টও করে ফেলেছে।

১৯৯২ সাল থেকে শরণার্থী হিসেবে অবস্থানের সুযোগে বাংলাদেশের সর্বত্র তাদের চেনা-জানা হয়ে গেছে। অনেকের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনসহ কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবানের লোকজনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। রেজিস্টার্ড ক্যাম্প দুটির শত শত রোহিঙ্গা মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে অবস্থান করছে।

তারা ক্যাম্পেও যাতায়াত করছে বলে জানা গেছে। এমনকি মিয়ানমার থাকতেই অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশি এনআইডি ও পাসপোর্টের মালিক হয়েছে। ২০১৭ সালের আগস্টের পর নতুন করে অনুপ্রবেশের পর দালালদের মাধ্যমে এনআইডি ও পাসপোর্ট বানিয়ে ফেলেছে রোহিঙ্গারা। তারা চেষ্টা করছে বিদেশে পাড়ি দেয়ার। এ কাজে সহায়তা দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের প্রবাসী স্বজনরা ও বাংলাদেশি অভিবাসী দালালরা। গত দেড় বছরে ভুয়া নাম-ঠিকানা দিয়ে পাসপোর্ট করতে গিয়ে আটক হয়েছে কয়েকশ’ রোহিঙ্গা।
সম্প্রতি এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, তুমব্রু স্থল সীমান্ত দিয়ে ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট সপরিবারে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন কামাল উদ্দিন। তিন মাসের মাথায় তার ছেলে নুরুল আমিনকে ওমরা ভিসা নিয়ে সৌদি আরব পাঠিয়ে দেয়া হয়। নুরুল আমিন মিয়ানমার থাকতেই বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (নং ১৯৮৭১৯১৩১৫৭০৩৩৩৯০) বানিয়ে নেয়। এর আগে ২০১৪ সালের ২১ মে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার তারাসাইল কুমারদোঘা ঠিকানায় দালালের মাধ্যমে বাংলাদেশি পাসপোর্ট (নং বিবি ০২২৪৮৯৯) তৈরি করে নেয় সে। পরে ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর নুরুল আমিন ভিসা নিয়ে সৌদি আরব পাড়ি দেয়। তার পরিবার বালুখালী ৯নং রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের বাসিন্দা। একইভাবে উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়া ১নং ক্যাম্পের নিবন্ধিত রোহিঙ্গা মরজিনা আক্তারের স্বামী মৌলভী আবু বকর ছিদ্দিক এনআইডি বানিয়ে নিয়েছেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাকলিয়া থানার কালামিয়া বাজার এলাকার ঠিকানায় বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (নং ১৯৮২১৫৯১০১৮০০০১১৩) বানিয়ে যাবতীয় সুবিধা ভোগ করছেন। উখিয়ার কুতুপালং-বালুখালী মেগা আশ্রয় শিবিরের ২০নং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা আবছার। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ২৭৮ বাইশারী মৌজার দক্ষিণ বাইশারী এলাকার ঠিকানায় বাংলাদেশি এনআইডি (নং ০৩১৭৩১৯৩৭৫১৪৯) বানিয়ে নিয়েছেন।

এ ছাড়া নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের জয়নাল আবেদীন রোহিঙ্গা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন বা আরএসওর সঙ্গ সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ আছে। আরএসওর সামরিক কমান্ডার হিসেবেও তাকে অনেকে জানেন। তিনি রেজু আমতলী ঠিকানা নিয়ে বাংলাদেশি এনআইডি (নং ০৩০২৯৫৩৭৪৯৩২) বানিয়ে নিয়েছেন। উখিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, গত আঠারো মাসে ৬০ হাজারের মতো রোহিঙ্গাকে আটক করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশিরাই জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করতে রোহিঙ্গাদের সহায়তা করছে। এ অপরাধে অনেককে আটকও করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
canlı bahis canlı poker canlı casino canlı casino canlı casino canlı casino oyna canlı casino