porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

যেসব লক্ষণে বুঝবেন প্রাণঘাতী লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়েছেন

liver-cerciss-4-20190417132513.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক :
বর্তমানে লিভার সিরোসিস রোগে অনেকেই ভুগছেন। জেনে নিন লিভার সিরোসিস হলে যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে।

লিভার সিরোসিসের ফলে যকৃৎ বা লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলে। অনেক ক্ষেত্রেই লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত রোগী লিভারের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।

লিভার সিরোসিসের ফলে যকৃৎ বা লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলে। অনেক ক্ষেত্রেই লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত রোগী লিভারের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।
প্রাথমিক পর্যায়ে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। সমস্যা শুরু হয় যখন রোগটি মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। তাই নিচের লক্ষণগুলোর কোনোটি লক্ষ্য করলে দেরি বা অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

প্রাথমিক পর্যায়ে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। সমস্যা শুরু হয় যখন রোগটি মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। তাই নিচের লক্ষণগুলোর কোনোটি লক্ষ্য করলে দেরি বা অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
প্রাথমিক পর্যায়ের লিভার সিরোসিস বা কম্পেনসেটেড সিরোসিসে লক্ষণ: (১) দুর্বলতা অনুভব করা (২) সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়া (৩) দাঁতের মাড়ি বা নাক থেকে রক্ত পড়া।

প্রাথমিক পর্যায়ের লিভার সিরোসিস বা কম্পেনসেটেড সিরোসিসে লক্ষণ: (১) দুর্বলতা অনুভব করা (২) সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়া (৩) দাঁতের মাড়ি বা নাক থেকে রক্ত পড়া।
প্রাথমিক পর্যায়ের লিভার সিরোসিস বা কম্পেনসেটেড সিরোসিসের লক্ষণ: (৪) পেটের ডান পাশে ব্যথা হওয়া (৫) জ্বর জ্বর ভাব (৬) ঘন ঘন পেট খারাপ হওয়া ইত্যাদি।

প্রাথমিক পর্যায়ের লিভার সিরোসিস বা কম্পেনসেটেড সিরোসিসের লক্ষণ: (৪) পেটের ডান পাশে ব্যথা হওয়া (৫) জ্বর জ্বর ভাব (৬) ঘন ঘন পেট খারাপ হওয়া ইত্যাদি।
মারাত্মক পর্যায়ের লিভার সিরোসিস বা ডিকম্পেনসেটেড বা অ্যাডভান্সড সিরোসিসের লক্ষণ: (১) পায়ে-পেটে জল চলে আসা (২) জন্ডিস হওয়া এবং রোগী জ্ঞানও হারাতে পারেন (৩) রক্তবমি ও পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

মারাত্মক পর্যায়ের লিভার সিরোসিস বা ডিকম্পেনসেটেড বা অ্যাডভান্সড সিরোসিসের লক্ষণ: (১) পায়ে-পেটে জল চলে আসা (২) জন্ডিস হওয়া এবং রোগী জ্ঞানও হারাতে পারেন (৩) রক্তবমি ও পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
মারাত্মক পর্যায়ের লিভার সিরোসিস বা ডিকম্পেনসেটেড বা অ্যাডভান্সড সিরোসিসের লক্ষণ: (৪) ফুসফুসে জল আসা (৫) কিডনি ফেইলিউর বা কিডনির কার্যক্ষমতা হারানো (৬) শরীরের যে কোনো জায়গা থেকে অতিরিক্ত এবং নিয়ন্ত্রণবিহীন রক্তপাত ইত্যাদি।

মারাত্মক পর্যায়ের লিভার সিরোসিস বা ডিকম্পেনসেটেড বা অ্যাডভান্সড সিরোসিসের লক্ষণ: (৪) ফুসফুসে জল আসা (৫) কিডনি ফেইলিউর বা কিডনির কার্যক্ষমতা হারানো (৬) শরীরের যে কোনো জায়গা থেকে অতিরিক্ত এবং নিয়ন্ত্রণবিহীন রক্তপাত ইত্যাদি।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
canlı bahis canlı poker canlı casino canlı casino canlı casino canlı casino oyna canlı casino