porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

নিজেরাই চাঁদা তুলে রাস্তা পাকা করছে গ্রামবাসী!

403603_191.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক :

সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌর শহরের শহীদ টিলা থেকে বড়দেশ গ্রাম পর্যন্ত রাস্তার দৈর্ঘ্য আড়াই কিলোমিটার। এক সময় পাকা পিচের রাস্তা হিসেবে তৈরি করা করা এ রাস্তাটি ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আড়াই বছর আগে। সংশ্লিষ্টদের কাছে ধর্না দিয়েও কোনো কাজ না হওয়ায় এবার সবাই মিলে চাঁদা তুলে মঙ্গলবার থেকে রাস্তার পিচ ঢালাইয়ের কাজ শুরু করেছে গ্রামবাসী।

জানা যায়, বিয়ানীবাজার পৌরসভার আংশিক ও মুড়িয়া ইউনিয়নের বড়দেশ গ্রামের রাস্তা এটি। গেল আড়াই বছর আগে রাস্তাটি পাকা করা হয়। ঠিকাদারের অনিয়মের কারণে তা ভেঙে যায় কিছুদিন না যেতেই। রাস্তার পিচ উঠে মাটি বেরিয়ে পড়ে। বৃষ্টি হলে রাস্তার গর্তে পানি জমে চলাচল অনুপযোগী হয়ে যায়। এমতাবস্থায় গত বছর স্থানীয় আব্দুল কাইয়ুম মেম্বার গর্তে ইট দিয়ে চলাচল সাময়িক উপযোগী করলেও পরে আবার রাস্তাটি আবার খানাখন্দে ভরে উঠে।

এ নিয়ে গ্রামবাসী বিয়ানীবাজার পৌরসভা ও সংশ্লিষ্টদের কাছে রাস্তা সংস্কারের দাবি তুলেন। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ আসনের এমপি নুরুল ইসলাম নাহিদকেও বিষয়টি অবগত করা হয়।

এতেও কাজ না হওয়ায় বড়দেশ গ্রামের মখলিছুর রহমান, হাজী আলা উদ্দিন, ফয়সল আহমদ খান, আব্দুল বাসিত খান সাজু মিলে গ্রাম থেকে চাঁদা তুলে রাস্তা পাকাকরণের উদ্যোগ নেন। এতে সহযোগিতা করে যুক্তরাজ্যস্থ বড়দেশ সমাজ কল্যাণ সমিতি।

স্থানীয়রা জানায়, গ্রামবাসীর টাকায় পাথর, বিটুমিনসহ নির্মাণ সামগ্রী এনে রাস্তা পাকা করার কাজ শুরু করা হয়। ভাড়ায় রোলার আনা হয় পৌরসভা থেকে।

স্থানীয় শফিউর রহমান নামে একজন বলেন, আড়াই কিলোমিটার রাস্তা পাকা করতে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে তিন লাখ টাকা। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতায় ও গ্রাম থেকে চাঁদা তুলে এ কাজ করা হচ্ছে।

এ যেন প্রদীপের নিচে অন্ধকার। বিদ্যুৎবিহীন হারিকেন আর কুপি বাতির নিভু নিভু আলোতেই লেখাপড়া করতে হয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের। আর জরাকীর্র্ণ রাস্তা ও বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিয়ে বেশ কয়েক মাইল হেঁটে স্কুল কিংবা কলেজে যেতে হয় তার পরও শিা নিয়ে অহঙ্কারের শেষ নেই। এ অহঙ্কার মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার নালী ইউনিয়নের আলোকিত গ্রাম গাংডুবী এলাকার মানুষের।

নানা সমস্যায় জর্জরিত গ্রামটিতে নেই বিদ্যুৎ, নেই ভালো রাস্তা ও কোনো ব্রিজ। এ নিয়ে চরম ক্ষোভ এই অঞ্চলের মানুষের। তবুও এই নিভৃত পল্লীতে কুপি বাতির আলোয় আলোকিত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ।
দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এ গ্রামের বহু মানুষ। তারা জেলা শহর, রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দূর-দূরান্তে অবস্থান করে নিজ নিজ কর্মে-কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। শুধু অনুন্নত যোগাযোগব্যবস্থার কারণে তারা গ্রামের বাড়ি আসতে আগ্রহী নয়। এ নিয়ে গ্রামীবাসীর আক্ষেপেরও শেষ নেই।

মানিকগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের কাঁচা-পাকা পথ পেরুলেই গাংডুবী গ্রাম। উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া এখানে পড়েনি। গ্রামের অধিকাংশ মানুষের জীবিকা নির্ভর করে কৃষির ওপর। প্রায় প্রতিটি পরিবারের মানুষ শিার আলোতে শিতি।

এলাকার মানুষের অভিযোগ, তাদের আলোকিত এই গ্রামের দিকে কেউ তাকায় না। জনপ্রতিনিধিরা প্রত্যেকটি নির্বাচনের সময় উন্নয়নের বাণী শুনিয়ে গেলেও তা মনে রাখেন না। মানুষের কয়েকটি প্রধান সমস্যার একটি হলো বিদ্যুৎ এবং অপরটি রাস্তাঘাট ও নদী পারাপারের। এই গ্রামের এক ইঞ্চি রাস্তা পাকা তো দূরের কথা একটি ইটের টুকরাও পড়েনি। ভাঙাচোরা রাস্তার বেশির ভাগ খানাখন্দে ভরা। একটু বৃষ্টি হলেই চলার পথ কাদায় ভরে যায়। বন্যা তো দূরে থাক, বর্ষা এলেই তলিয়ে যায় রাস্তাঘাট।

মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের শিার্থী সুজন আহম্মেদ জানান, গাংডুবী গ্রামের মানুষ অত্যন্ত অবহেলিত। নেই বিদ্যুৎ, নেই ভালো রাস্তা। একটু বৃষ্টি হলেই বাড়ি থেকে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। তারপরও শত কষ্ট উপো করে লেখাপড়ার জন্য স্কুল-কলেজে যেতে হয়। লেখাপড়া করতে হয় কুপি বাতি আর হারিকেনের আলোয়।

এ গ্রামের নিত্যানন্দ সরকার জানালেন, মানিকগঞ্জ জেলায় যদি কোনো অবহেলিত গ্রাম থেকে থাকে তাহলে এই গ্রামটি এক নম্বরে। বর্ষা হলে নৌকা ছাড়া কোনো উপায় নেই। হাঁটার পথগুলো একদম চলাচলের অযোগ্য। বিদ্যুৎসংযোগ না থাকায় সন্ধ্যার পর পুরো গ্রামটি ভুতুড়ে হয়ে যায়। অথচ এই গ্রামের প্রতিটি ঘরেই রয়েছে শিার আলো।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বলেন, শুধু গাংডুবী গ্রাম নয় আমার পুরো ইউনিয়নটি উন্নয়ন বঞ্চিত। রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎব্যবস্থা এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা। আর গাংডুবী গ্রাম শিা দীায় আলোকিত হলেও উন্নয়ন বলতে যা বোঝায় তা হয়নি। বিদ্যুৎ নেই, ভালো রাস্তাও নেই। সবমিলিয়ে গাংডুবী গ্রামটি অত্যন্ত অবহেলিত।

সূত্র নয়া দিগন্ত

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
canlı bahis canlı poker canlı casino canlı casino canlı casino canlı casino oyna canlı casino