bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

মস্তিষ্কের উপর চাপ সৃষ্টি করছে মাল্টিটাস্কিং

48262514_303.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : ডিজিটাল প্রযুক্তির এই যুগে আমাদের ব্যস্ততার শেষ নেই৷ সেইসঙ্গে দৈনন্দিন জীবনের ‘মাল্টিটাস্কিং’ বা একসঙ্গে একাধিক কাজ সারার চাপ তো রয়েছেই৷ আমাদের মস্তিষ্ক কীভাবে তা সামাল দিচ্ছে, বিজ্ঞানীরা তা জানার চেষ্টা করছেন৷

অতীতে মানুষের মস্তিষ্ক খেলাচ্ছলে বেশিরভাগ উদ্দীপনায় সাড়া দিতে পারতো৷ কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের সামনে চ্যালেঞ্জ বেড়ে চলেছে৷ আগে শুধু ইলেকট্রনিক সংবাদ মাধ্যমের দৌলতে আমরা আরও ঘনঘন তথ্য পেতাম৷

আর আজ? আজকের ডিজিটাল জগতে সবকিছু ও সবাই এক নেটওয়ার্কের অংশ হয়ে পড়েছে বলে মনে হয়৷ ফলে আমাদের মস্তিষ্ককে অবিরাম উদ্দীপনার ঢেউ সামলাতে হচ্ছে৷ এমন পরিস্থিতি কিন্তু মোটেই আদর্শ নয়৷ স্নায়ুবিজ্ঞানী ইয়ানা ফান্ডাকোভা বলেন, ‘‘স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে একটি উদ্দীপক আমাদের কাছে আসে৷ ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে এক প্রক্রিয়া চলে৷ তারপর পরবর্তী উদ্দীপকের প্রতি মনোযোগ দেওয়া হয়৷”

কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ সেই সুযোগ পান না৷ তাদের অবিরাম তথ্যের বন্যার মুখে পড়তে হয় এবং অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কাজ সারতে হয়৷ মস্তিষ্ক কীভাবে এই চাপ সামলায়, স্নায়ুবিজ্ঞানী হিসেবে ইয়ানা ফান্ডাকোভা তা জানতে চান৷

তিনি স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে কিছু পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছেন৷ তাঁদের সামনে কিছু কঠিন দায়িত্ব ছিল৷ পরীক্ষার সময় তাদের এই সব দানবের মধ্যে ৯টি পার্থক্য শনাক্ত করতে হয়েছিল৷ একই সময় বিভিন্ন বোতাম টিপে সঠিক বৈশিষ্ট্য বেছে নিতে হয়েছিল৷ কঠিন এই কাজের সময় গভীর মনোযোগের প্রয়োজন৷

এর মাধ্যমে ইয়ানা এমন এক পরিস্থিতির নকল করেছেন, যা আমাদের দৈনন্দিন ব্যস্ততায় ভরা জীবনযাত্রায় দেখা যায়৷ আমাদের পর পর ও দ্রুত বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হয়৷
মানসিক চাপ শরীর ও মস্তিষ্কে যা ঘটায়

নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায়

বিভিন্ন চাপের কারণে মাঝেমধ্যে মানুষের স্ট্রেসে থাকা একেবারেই স্বাভাবিক৷ তবে তা যদি নিয়মিত হতে থাকে, তবে শরীর ও মনে তার বড় ধরনের প্রভাব পড়ে৷ দেখা দেয় কার্ডিওভাসকুলার, ডায়াবেটিস ও পেটের নানা সমস্যার মতো রোগ৷

স্বেচ্ছাসেবীরা কত দ্রুত সহজ কাজগুলি করতে পারেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সবার আগে তা পরীক্ষা করা হচ্ছে৷ তারপর তাঁদের আরও দ্রুত গতিতে আকার-আকৃতি, রং ও নক্সার প্রতি নজর দিতে হয়৷ ইয়ানা ফান্ডাকোভা বলেন, ‘‘এগুলি এমন পরিস্থিতি, যখন মস্তিষ্ককে বিভিন্ন কাজ আলাদা করতে হয়৷ এ সব কাজ সাধারণত আমরা অবচেতন মনেই করি৷ কিন্তু নেপথ্যে আমাদের মস্তিষ্ক কঠিন পরিশ্রম করে৷”

ইয়ানা পরীক্ষার সময় স্ক্যানারের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবীদের উপর নজর রাখেন৷ তিনি সরাসরি তাঁদের মস্তিষ্কে উঁকি মেরে দেখতে চান, মস্তিষ্কের কোন কোন অংশ সক্রিয় হয়ে উঠছে৷ যেমন খুব জটিল কাজের সময় ফ্রন্টাল লোব-এর প্রয়োজন পড়ে৷ ইয়ানা বলেন, ‘‘মস্তিষ্কের এই অংশ ঠিক কপালের পেছনে রয়েছে৷ কোন কাজের জন্য কতটা ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে, এই অংশই তা স্থির করে দেয়৷ যে সব পরিস্থিতিতে আমাদের একই সময়ে একাধিক কাজ করতে হয়, তখন নির্বিঘ্নে কাজগুলি সম্পন্ন করতে মস্তিষ্কের এই অংশকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়৷”

শিশু ও কিশোররা এমন কাজ কীভাবে সামলায়? তারা এমন এক জগতে জন্মগ্রহণ করেছে, যেখানে প্রতিদিন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নানা কাজ করতে হয়৷ তাছাড়া নতুন প্রযুক্তি তাদের কাছে জলভাত৷ তারা কি প্রাপ্তবয়স্ক স্বেচ্ছাসেবীদের তুলনায় আরও দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে পারে? ইয়ানা ফান্ডাকোভা মনে করেন, ‘‘আমাদের ও অন্যান্য বিভিন্ন গবেষণার ফল বলছে, যে এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের সাড়া দিতে একটু বেশি সময় লাগে৷ তারা বড়দের তুলনায় সত্যি ঘনঘন ভুল করে৷”

দ্রুত ও পর পর কাজ বদল করলে ফ্রন্টাল লোব বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে৷ প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে বাম দিক ও শিশুদের ক্ষেত্রে ডান দিক সেই কাজ করে৷ ২০ বছর বয়স পর্যন্ত ফ্রন্টাল লোব-এর বিকাশ চালু থাকায় শিশুরা বড়দের মতো এত দ্রুত বিভিন্ন ধরনের কাজ সামলাতে পারে না৷

বেড়ে চলা চাপ মস্তিষ্কের বিকাশের উপর ঠিক কতটা প্রভাব ফেলছে, তা জানতে কমপক্ষে ১০ বছর সময় লাগবে৷ স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের সঙ্গে বেড়ে ওঠা প্রজন্ম প্রাপ্তবয়স্ক হলে সেই রহস্যের সমাধান হতে পারে৷

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
error: Content is protected !!
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort