bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

দেড় যুগেও কাংখিত উন্নয়ন সাধিত হয়নি টেকনাফ পৌরসভায়

57038307_443003903119226_6294628189830381568_n.jpg

সওজ আর পৌর কর্তৃপক্ষের রশি টানাটানিতে বছরের পর বছর উন্নয়ন বঞ্চিত প্রধান সড়কের ঝর্ণা চত্বর এলাকা

বিশেষ প্রতিনিধি :
সারা দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে সরকারে এমন দাবী সত্য হলেও টেকনাফ পৌরসভায় ১৮ বছরেও কাংখিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। টেকনাফ পৌর এলাকায় প্রবেশ করলে দেখা মেলে উন্নয়নে বিপরীত চিত্র। পৌরবাসীর অভিযোগ সরকারী নিয়ম অনুযায়ী সকল কর ও ভ্যাট আদেয়ের পরেও পৌর নাগরিক সুবিধা ও মূল সড়ক সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তা ঘাটের বেহাল দশায় তারা ক্ষুব্দ। এসব সমস্যার কারনে পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকেই দ্বায়ী করছেন পৌরবাসী। এ বিষয়ে পৌর মেয়র হাজী ইসলাম ও স্বচিব মহিউদ্দীন ফরায়েজী কোন মন্তব্য করতে রাজি নয়। অপরদিকে প্যানেল মেয়র মুজিবের মুটো ফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গেলো ২০০০ সালে আওয়ামীলীগ সরকাররের হাত ধরে পৌরসভা গঠিত হয়। সাবেক এমপি বদি এই পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পরবর্তীতে হাজী ইসলাম ২০১১ ও ২০১৬ সালে দুই মেয়াদে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম মেয়াদে তিনি কিছুটা উন্নয়ন করলেও দ্বিতীয় মেয়াদের ৪ বছরেও তেমন উন্নয়ন করতে পারেন নাই। নাম মাত্র উন্নয়ন যা হয়েছে তাও অপরিকল্পিত। অধিকাংশ পৌরবাসী ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের সিংহভাগ এলাকায় অনুপস্থিতি উন্নয়ন প্রতিবন্ধকতার একটি বড় কারন হিসেবে মনে করেন। এসব কাউন্সিলরদের মধ্যে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কেউ কারাগারে কেউ পলাতক রয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের দেশ ব্যাপী উন্নয়নের চিত্র দৃশমান হয়ে ফুটে উঠলেও টেকনাফ পৌরসভার অবস্থা ভিন্ন। এই পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যটন শহরের উন্নয়ন ও অধুনিকায়নের কাংখিত ছোঁয়া লাগেনি। গেলো (২০১৮-১৯) অর্থ বছরে উন্নয়ন খাতে ১৬কোট ২০লাখ টাকা বাজেট ঘোষনা করলেও প্রধান সড়ক গুলোর ও হাটবাজার ট্রাফিক ব্যবস্থা দেখলে পৌর উন্নয়ন এবং খুব সহজে বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তা ঘাট উন্নয়নের করুন দশা অনুমান করা যায়। প্রধান সড়কটির সংস্কার নিয়ে সওজ ও পৌরবাসীর পারস্পরিক দোষারোপোর মধ্যেই বছরের পর বছর কেটে গেলেও ভোগান্তিতে রয়েছে পৌরবাসী।

পৌরসভার হাই স্কুল মাঠ হতে কুলাল পাড়ার ভাগ্যের বাপের সড়ক


এছাড়া পৌরসভার অন্যান্য সড়ক গুলো জন সাধারনের অভিযোগের ভিত্তিতে সুড়কি, ইট, বালু দিয়ে সংস্কার করা হলেও এর স্থায়িত্ব কাল হয় কয়েকমাস। এভাবে যেনতেন ভাবে সড়ক সংস্কার করার কারণে সংস্কারের অল্পদিনে জরাজীরণ অবস্থায় রয়েছে অলিয়াবাদ আবহাওয়া অফিস সড়ক, অলিয়াবাদ সাইট্যাংখিল সড়ক, ভাগ্যের বাপের সড়কসহ অধিকাংশ সড়ক।

২০০৮ সালের দিকে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অন্তত ৮টি ডাস্টবিন স্থাপন করলেও বর্তমানে দুয়েকটি ছাড়া অধিকাংশের অস্থিত্ব নেই।

সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ২০০৯ সালে পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে পুরাতন বাস স্টেশনে একটি গভীর নলকূপ সহ ফোয়ারা চত্ত্বরটি নির্মান করা হয়। রক্ষনা বেক্ষনের জন্য মাষ্টার রোলে একজন সুইপার নিয়োগ থাকলেও অজানা কারনে রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে তা ডাস্টবিনে পরিনত হয়ে দূর্গন্ধ ছড়ায় ।

তাছাড়া ২০১০ সালে জনগুরুত্ব পূর্ণ এলাকা গুলোতে পালবিক টয়লেট নির্মান পরবর্তী সময় থেকে একটি ছাড়া বাকী গুলো পরিত্যাক্ত পড়ে রয়েছে অথবা দখলদারদের কবলে চলে গেছে।

এদিকে গ্রীস্ম কালে পৌরসভায় তিব্র পানীয় জলের সংকট নিরসনে কোন গভীর নলকূপের ব্যবস্থা করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। নাইট্যংপাড়া এলাকায় পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও তা পৌরসভার ১০ ভাগ মানুষেরও পানি সংকট দুর করতে পারেনি। দক্ষিণ জালিয়াপাড়া এলাকায় এখনো বিকাল হলে কলসি নিয়ে নারী-কিশোরীদের লাইন সেই প্রাচীন কালের কথা মনে করিয়ে দেয়।

বর্ষায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কায়ুকখালী খাল দখল মুক্ত সহ পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ড্রেন না থাকায় হালকা বৃষ্টিতে অধিকাংশ রাস্তা হাল চাষের উপযোগী হয়ে পড়ে।

এদিকে পৌর সভার যাবতীয় কর আদায় করার পরেও পৌর সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় জন প্রতিনিধিদের প্রতি ক্ষুব্ধ পৌরবাসী। উন্নয়ন সুবিধা বঞ্চিতরা যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত না করার বিষয়ে আপেক্ষ করে আগামী নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করার বিষয়টি নিয়েও ভাবছেন। তাই সার্বিক সমস্যা সমাধান সহ পরিকল্পিত উন্নয়ের তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
error: Content is protected !!
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort