porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

পাহাড় কেটে রোহিঙ্গা ক্যাম্প নির্মানের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

Rohingya-camp_pic-768x464.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক :
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মুছারখোলা বনবিটের আওতাধীন চৌখালীতে নির্মাণাধীন রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন।

শুক্রবার ১২ এপ্রিল নতুন রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প স্থাপনের প্রতিবাদে পালংখালীর স্থানীয় জনসাধারণ মানববন্ধন কর্মস‚চি ঘোষনা করে। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষোভের মুখে শেষ পর্যন্ত নির্মাণাধীন শরনার্থী ক্যাম্পের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি উখিয়ার ইউএনও নিকারুজ্জামান চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন।

এ জায়গায় নতুন রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প নির্মাণ নিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সাথে গত এক সপ্তাহ ধরে নির্মাণকারীদের চরম দ্ব›েদ্বর স‚চনা হয়।

উল্লেখ্য যে, কয়েকটি এনজিও সংস্থা ইতিমধ্যে ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে সেখানে বোল্ডডোজার দিয়ে বনভূমির পাহাড় কেটে মাঠ ও চলাচলের রাস্তা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এলাকার আগর বাগানটিতে বিপুল অংকের আগর গাছ ও বিভিন্ন প্রজাতির বাগান নিধন করে শিবির স্থাপন করায় পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই কেটে ফেলা হচ্ছে আগরসহ হাজার হাজার নানা প্রজাতির গাছ পালা। নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জারীকৃত পত্রে উল্লেখ আছে নতুন করে রোহিঙ্গাদের জন্য কোন ধরণের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবেনা। এই নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে বেশ কয়েক দিন যাবৎ পালংখালী ইউনিয়নের চৌখালী মাঠ নামক স্থানে ৪/৫টি বোল্ডডোজার দিয়ে নির্বিচারে স্থানীয় জন-সাধারণের সামাজিক অংশীদারিত্ব সবুজ বনায়ন নিধন করে পাহাড় কাটছিল কয়েকটি স্বার্থন্বেষী এনজিও সংস্থা। পত্র-পত্রিকার লেখালেখির কারনে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া শতাধিক ভুক্তভোগী গ্রামবাসি সহ পালংখালী ইউনিয়নবাসির মাঝে খুশি বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একটি নির্দেশনা ছিল যে, নতুন করে কোন রোহিঙ্গা ক্যাম্প স্থাপন করার যাবেনা, সেই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মহোদয় বৃহস্পতিবার একটি মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন যে, চৌখালীতে নতুন ক্যাম্প স্থাপনের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য। তবে আমি জরুরী কাজে কর্মস্থলের বাইরে থাকায় আপাতত এ নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারতেছিনা।

জানা গেছে, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জের আওতাধীন থাইংখালী বনবিটের মোছারখোলা টহল ফাঁড়ির চৌখালী নামক স্থানটিতে শতাধিক হেক্টর জমি রয়েছে আগর বাগানের। আগর বাগানের গাছপালা ধ্বংস করেই শতাধিক একর বনভূমি ও জোত জমিতে নতুন করে রোহিঙ্গা শিবিরটি স্থাপন করা হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
canlı bahis canlı poker canlı casino canlı casino canlı casino canlı casino oyna canlı casino