porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

কাঠ আমদানী বন্ধ থাকায় টেকনাফ স্থল বন্দরে মাসিক লক্ষমাত্রা অর্জিত হয়নি

tek-bondor-pic_345672-1.jpg

সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ :
টেকনাফ স্থল বন্দরে গেল মার্চ মাসে ১৭ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা রাজস্ব আয় হলেও তা লক্ষমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। মার্চ মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক টেকনাফ স্থল বন্দরে ১৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করে দিয়েছিল। ফলে লক্ষমাত্রার চেয়ে ৭১ লাখ ১৯ হাজার টাকা কম রাজস্ব আয় হয়েছে। মিয়ানমার হতে মার্চ মাসে কাঠ আমদানী না হওয়াকে রাজস্ব আয়ের লক্ষমাত্রা অর্জিত না হওয়ার কারন হিসাবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা শংকর কুমার দাস মঙ্গলবার (২এপ্রিল) জানান, গেল মার্চ মাসে ২৮৯টি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে মিয়ানমার হতে ৪৩ কোটি ২১ লাখ ৪১ হাজার টাকার পণ্য আমদানী হয়েছে। যার বিপরীতে ১৭ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। অপরদিকে ৪৮টি বিল অব এক্সপোটের মাধ্যমে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকার পন্য মিয়ানমারে রপ্তানী করা হয়েছে। এছাড়া শাহপরীরদ্বীপ ক্যাডল করিডোরে ১৬ লাখ ৪০ হাজার ৫শ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে গবাদি পশু আমদানী খাতে। করিডোর দিয়ে ২৩৬০ টি গরু, ৯২১টি মহিষ আমদানীর বিপরীতে উক্ত রাজস্ব আয় হয়।
রাজস্ব কর্মকর্তা আরো জানান, চলতি অর্থবছরের সব মাসে লক্ষমাত্রা অর্জিত হলেও মার্চ মাসে লক্ষপুরনে ব্যর্থ হয়েছে। এর কারন হিসাবে তিনি মিয়ানমার হতে কাঠ আমদানী বন্ধ থাকা ও স্থানীয় নির্বাচনের প্রভাব বলে জানান।
জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারী মাস থেকেই মিয়ানমার সীমান্তে সেদেশের নৌবাহিনী কাঠ রপ্তানীতে বাঁধা প্রদান করে আসছে।
এছাড়া বেশ কিছুদিন গবাদি পশু আমদানী বন্ধ থাকলেও পড়ে স্বাভাবিক ভাবেই গবাদি পশু আমদানী হতে থাকে।
তবে শুটকী, আঁচার, হিমায়িত মাছ, চাউল, কাঠ, বরই, তেতুল ও আদা আমদানী ও চুল, গেঞ্জি, এলোমুনিয়াম ও স্যানিটারী সামগ্রী বরাবরের মতো রপ্তানী হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
canlı bahis canlı poker canlı casino canlı casino canlı casino canlı casino oyna canlı casino