porno porn
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

টেকনাফে একজন ব্যতিক্রমী ইউএনওকে স্যালুট : কিছু ভালো মানুষ আছে বলেইতো পৃথিবীটা বেঁচে আছে

6-1.jpg

হারুন অর রশিদ : আমাদের দেশে সাধারণ মানুষ অনেক সময় প্রশাসনের সেবা থেকে বঞ্চিত হন, কারণ তারা ডিঙ্গাতে পারেন না কর্মকর্তাদের অফিসের দরজা। সরকারি সেবা পাওয়া আর সোনার হরিণ মনে হয় সমান। দিনের পর দিন ঘুরে কাজ করাতে না পেরে মানুষ আস্থা হারাচ্ছে সরকারি অফিস ও অফিসারদের উপর। কিন্তু এর ব্যতিক্রমও আছেন। তেমনই একজন ব্যাতিক্রম সরকারি অফিসার মো.রবি উল হাছান যিনি বর্তমানে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।
সাগর ও পাহাড়ের সমন্বয়ে গঠিত টেকনাফ উপজেলা। একটু সীমান্ত অঞ্চল হওয়ায় মাদকের অার চোরা চালানের মুল রাস্তা সেজন্য হয়তো সাধারনের সঙ্গে তাদের দূরত্বও কমেনি কখনো। কিন্তু ভালো কাজ, ভালো ব্যবহার আর ভালোবাসা দিয়ে ইতোমধ্যেই রবিউল হাছান জয় করে নিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মন। ক্ষমতাবান মানুষ থেকে শুরু করে সাধারন দিনমজুর সবার কথা তিনি শোনের মনোযোগ সহকারে। সাধারণের জন্য নিজের অফিসের দ্বার অবারিত করতে তিনি নিয়েছেন ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ।
সাধারণত যেখানে সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসের দরজা ডিঙাতে না পারায় দেশের অধিকাংশ সাধারণ মানুষ প্রশাসনের সেবা থেকে বঞ্চিত হন। উপজেলা প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সেই দূরত্ব কমাতে রবি উল হাছান নিজের কার্যালয়ের সামনে সরকারে উনয়েন সব কিছু জনগণ কে দেখানোর জন্য বসিয়েছেন বড় টিভি পর্দা বেশ সাড়া পড়েছে এলাকাতে। যে কোনো প্রয়োজনে কৃষক, শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে কড়া নাড়ছে নির্বাহী কর্মকর্তার দরজায়। নিজেদের কষ্টের কথা তারা বলছেন তাদের প্রিয় ইউএনও স্যারের সাথে। যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজন অনুযায়ি সেবা পেয়ে যাচ্ছেন।

নিজের এমন সব উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. রবি উল হাছান বলেন, ‘সরকারি অফিসগুলো তৈরি করা হয় জনসাধারণের কাজের জন্য। আমি যদি আমার অফিসে প্রবেশের জন্য কাউকে বাধা দিই, অফিসের ও সাধারণ মানুষের মাঝে পর্দা দিই, দেয়াল তুলি, তাহলে তারা কীভাবে সেবা নেবে। আমরা চাই জনসাধারণের সঙ্গে প্রশাসনের কোনো দূরত্ব থাকবে না। জনসেবার জন্যই আমাদের প্রশাসন। আমার এখানে সেবা নিতে এসে অনেকেই অনুমতি চান। আমার অফিসে আসার জন্য অনুমতির কেন প্রয়োজন পড়বে?’
তিনি আরো বলেন, ‘আগে আমার অফিসের সামনে অনেক লোক জড়ো হয়ে থাকতো। ভয়ে অনেকে ভেতরে প্রবেশ করতো না। এখন সবাই নির্ভয়ে তাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অফিসে কথা বলতে আসে। কেউ আসেন সামাজিক সমস্যা কিংবা অভিযোগ নিয়ে। দরিদ্র মানুষরা বয়স্কভাতা, বিধবাভাতার জন্য আসেন। কৃষক আসেন জমিতে সেচ যন্ত্র স্থাপনের ছাড়পত্রের বিষয়ে।’
টেকনাফে অাগের তুলনায় খেলাধুলা অনেক এগিয়ে বর্তমান সভাপতি অামাদের স্যারের কারনে, মহান মানুষের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

উপজেলার টেকনাফ মডেল সঃপ্রাঃ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের টেকনাফ উপজেলার ইতিহাসে এমন জনবান্ধব ইউএনও আমরা দেখিনি। উনি অল্প কয়েকদিনে যেভাবে সকলের ভালোবাসা ও দোয়া পেয়েছেন, এই দেশ একদিন উনার মতো ভালো লোকের কারণেই উন্নতির শিখরে আরোহন করবে। উনি আছেন আমাদের উপজেলার সকল মানুষের হৃদয়ে।

এ মহান মানুষের জন্ম: ১৯ আগস্ট ১৯৮৩
ঠিকানা : গ্রাম- কাগতিয়া, ইউনিয়ন- পশ্চিম গুজরা, রাউজান, চট্টগ্রাম
স্কুল : বিনাজুরী নবীন উচ্চ বিদ্যালয়
কলেজ : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ
বিশ্ববিদ্যালয় : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
৩০তম বিসিএস, প্রথম কর্মস্থল: রাজবাড়ী
সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে।
টেকনাফে যোগদান : ০১/০৩/২০১৮
লেখক ; হারুন অর রশিদ
অাহবায়ক সিলভার-কাপ পরিচালনা কমিটি টেকনাফ।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri