bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

‘পরীক্ষিত ক্যাপসুল দিয়েই চলছে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন’

health-minister-zahid-malik.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক :

দেশীয় কোম্পানির যে ক্যাপসুলগুলো দিয়ে সারাদেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন চলছে সেগুলো ল্যাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তারপর শিশুদের খাওয়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, সারাদেশে আড়াই কোটি শিশুদেরকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ বিষয়ে আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে পারি না। তাই আমরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।

শনিবার ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সারাদেশের ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রে প্রতিবারের ধারাবাহিকতায় এই ক্যাম্পেইন চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুর সুস্থ্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

কোনো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মায়েদের বলবো, ক্যাপসুলটি খাওয়ানোর আগে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ান, সুষম খাদ্য খাওয়ান। কেননা শিশু পেট ভরা থাকলে টিকা খাওয়ানোর পর কোনো জটিলতা সৃষ্টি হবে না। তাছাড়া কোনো গুজবে কান দেবেন না। এছাড়া আমাদের আরও ২০ হাজার অস্থায়ী কেন্দ্রে ক্যাম্পেইনটি চলছে।

এই ক্যাম্পেইন আজকে ছাড়া আরও ২/৩ দিন চলবে উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, দেশের প্রত্যন্ত এলাকাসহ সারা বাংলাদেশে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে নিশ্চিত করবো আমরা। এ কারণে আজ ছাড়াও আগামী দুই তিন দিনও চলবে ক্যাম্পেইনটি। আমরা প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে যাবো।

এর আগে বাদ যাওয়া ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের তদন্তের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তদন্তে এখন পর্যন্ত এমন কোনো রিপোর্ট আসে নাই যে, আমরা গভীরভাবে চিন্তিত হবো। আমাদের ল্যাবে আগের ক্যাপসুলের পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। ওটা শেষ হলে আমরা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাবো।

এর আগে মন্ত্রী বেলুন উড়িয়ে ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। এরপর স্বাস্থ্য অধিদফতর আয়োজিত শিশু হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে এই ক্যাম্পেইন বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান খান, ঢাকা শিশু হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. আব্দুল আজিজ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. শফী আহমেদ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, এর আগে ১৯ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল। কিন্তু ওষুধের মান নিয়ে সন্দেহ থাকায় সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয়। গত ডিসেম্বরে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা থাকলেও বার্ষিক পরীক্ষা, জাতীয় নির্বাচনসহ নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
error: Content is protected !!
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort