টেকনাফ উপজেলা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দৌড়ে মিজবাহার ইউছুপ এগিয়ে

misbahar.jpg

বার্তা পরিবেশক : আসন্ন টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দিন যতোই ঘনিয়ে আসছে,সম্ভাব্য প্রার্থীদের জোরতোড় ততোই বৃদ্ধি পাচ্ছে।এবারে সারা দেশে প্রথম বারের মতো দলীয় প্রতীকে উপজেলা নির্বাচন অনুস্থিত হবে।তাই দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা যে যার যার মতো মাঠ পর্যায়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।তবে সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিজবাহার ইউছুপ,বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান তাহেরা আক্তার ও কাউন্সিলর কহিনুর সহ বেশ কয়েকজনের নাম শুনা গেলেও বিতর্কিত কিছু কর্মকান্ডের কারনে তাদের ছাড়িয়ে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিজবাহার ইউছুপ মনোনয়ন দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন।

বিগত ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে মিজবাহার ইউছুপ বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।আপরদিকে ২০০৩ সালে টেকনাফ প্রথম পৌরসভা গঠন পরবর্তি সংরক্ষিত নারী আসন (৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড) থেকে কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।তিনি পৌর শহরের মরহুম হুসাইন কন্ট্রাক্টারের পুত্র বধু ও আব্দুল হালিমের বড় কন্যা।তার উভয় পরিবারই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত।তার স্বামী ঠিকাদার মু. ইউছুপ মনো বিগত ১৯৮৭ সালে স্কুল জীবন থেকেই জাতীয় ছাত্রলীগ তথা বাকশাল পরবর্তী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের টেকনাফ উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।পরবর্তিতে ১৯৯৩ সনে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৩ সালে টেকনাফ পৌর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত আছেন।

এদিকে আপাতত আওয়ামী প্রার্থী হিসেবে স্ব-স্ব ভাবে মিজবাহার ইউছুপ ও কাউন্সিলর কহিনুরের নাম শুনা গেলেও সাধারন ভোটার ও দলীয় তৃনমূল নেতা কর্মীরা চাইছেন মাদক বিরোধী একজন শিক্ষিত জনবান্ধব নারী নেত্রী।স্থানীয় ভাবে জানা গেছে,মিজবাহার এবং তার স্বামী মাদক বিরোধী অবস্থানে রয়েছেন,এদের বিরুদ্ধে এপর্যন্ত মাদক সংশ্লিষ্টার কোন অভিযোগ নেই।।অপরদিকে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান তাহেরা আক্তার গত নির্বাচনের সকল প্রতিশ্রুতি পূরন করতে ব্যর্থতা সহ অপর প্রার্থীর বিরুদ্ধে গুরুতর মাদক সংশ্লিষ্টতা সহ বিতর্কিত কিছু বিষয়ের কারনে এদের কে দৌড়ে পিছনে ফেলে মিজবাহার ইউছুপ সাধারন ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রথম পছন্দ বলে জানা গেছে।

মিজবাহারের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, বিগত সময়েও পৌরসভা থেকে পথ চলা শুরু করে গোটা উপজেলার জনগন তথা দলীয় নেতা কর্মীদের অকুন্ঠ সমর্থনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জন গনের পাশে ছিলাম।এবারে আমার মূল লক্ষ্য সবার সহযোগীতায়, জননেত্রী শেখ হাসিনার মাদক মুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এই জনপদকে ইয়াবা মুক্ত করা।অতীত কর্মকান্ড বিবেচনায় এবারে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় নেতা কর্মীদের এবং ভোটারদের বেশ সাড়া পাচ্ছি।আশা রাখি দলের প্রতি আমার শ্রম ও মেধার সমন্বয় বিবেচনা করে তৃনমূল,উপজেলা,জেলা নেতৃবৃন্ধের সহযোগীতায় কেন্দ্রীয় কমিটির আমাকে মনোনয়ন দেবেন বলে আশাবাদী।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top