পারিবারিক শত্রুদের অপপ্রচার থেমে নেই : পবিত্র হজ্ব পালনে যাওয়া মা-বাবাকে নিয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ

protibad-11.jpg

টেকনাফ নাজির পাড়ার কুখ্যাত ইয়াবা গডফাদার তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী এনাম মেম্বার গংদের অপপ্রচার থেমে নেই। দীর্ঘদিন যাবৎ তারা নাজির পাড়া এলাকায় আমাদের বসতভিটা ও জমিজমা কুক্ষিগত করতে না পেরে নানা ষড়যন্ত্রে মেতে রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ই জুলাই ক্রাইম ওয়াচ এর বরাতে কক্সবাজার নিউজ ডটকম “ইয়াবা সম্রাট ছিদ্দিক আত্মগোপনে:সম্রাজ্য নিয়ন্ত্রনে স্ত্রী-পুত্র!” শিরোনামে একটি একতরফা সংবাদ প্রকাশ করে।
যা শুধুই মিথ্যাই নই, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিতও বটে।
প্রকৃতপক্ষে বাস্তব সত্য হলো গত ১১ আগস্ট তারিখ আমার পিতা সিদ্দিক আহমদ, আমার মাতা রশিদা বেগম ও বড় ভাই ফরিদ আলম পবিত্র হজ্বব্রত পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গমন করেন। কিন্তু পারিবারিক শত্রুরা আমার পিতা-মাতা ও ভাইকে মুসলমানদের অন্যতম স্তম্ব হজ্বের মতো পবিত্র ধর্মীয় কাজটিও শান্তিমতো পালন করতে দিতে রাজী নই। তাই তারা মিডিয়ার আশ্রয় নিয়ে আমার পিতাকে আত্মগোপনে উল্লেখ করে যাচ্ছেতাই নিউজ করাতে দ্বিধাবোধ করছেনা। এমনকি তারা আমার পঞ্চাশ বছরের মাতাকে ইয়াবা সুন্দরী বলতেও দ্বিধা করছেনা। এছাড়া তারা আমি রবিউল আলম ও মামা হামজালালকেও একই নিউজে সম্পৃক্ত করে মিথ্যাচার করেছে। অথচ তাদের শত শত্রুতামি উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লোকপ্রশাসন বিভাগে অনার্সে পড়ালেখায় রয়েছি। কিন্তু তারা আমাকেও ইয়াবার মতো ঘৃন্য মাদকের সাথে জড়িয়ে সংবাদ করিয়েছে। আমার মামা হামজালাল একজন সাবেক জনপ্রতিনিধি ও টেকনাফ সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি। শুধু আমাদের মামা হওয়ার কারণে তাদের অত্যাচার নির্যাতনে অতীতে প্রতিবাদ করাই তারা আমার মামাকে চক্রান্ত করে ষড়যন্ত্রমূলক মাদক মামলায় জেল খাটায়। এতেই তারা ক্ষান্ত হয়নি। একের পর এক ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার অব্যাহত রেখেছে।
অতীতে তাদের বহু হামলা হয়েছে আমাদের পরিবারের উপর। এমনকি তারা আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার মায়ের উপর পর্যন্ত হামলা করে আহত করেছে। তাদের এর হামলা ও মামলায় বর্তমানে আমরা এলাকা ছাড়া আজ প্রায় ৩ বছরের বেশী সময়। সর্বশেষ গত ৯ আগস্ট তারা আদালতে আমার পিতাসহ পরিবারের সদস্যদের জামিন বাতিল করতে না পেরে হুমকি দেয় একপর্যায়ে তারা নাজির পাড়া এলাকায় আমাদের বসত বাড়িতে রাতের অন্ধকারে অগ্নিসংযোগ করে। শুধু তাই নই তারা যেকোন উপায়ে আমাদের মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে চিহ্নিত করতে মরিয়া হয়ে বিভিন্ন সময় সংবাদ মাধ্যমে আমাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে। অথচ তারাই টেকনাফের অন্যতম বড় মাদক ব্যবসায়ী। এনাম মেম্বার ও তার পরিবারের অবস্থা এলাকার সবাই অবহিত রয়েছে। তাদের এক সময় নুন আনতে পানতা ফুরাই অবস্থা ছিল। অথচ আজ তাদের রাজকীয় চালচলন ও ভাবসাব। যেন কোন জমিদার বংশের উত্তরসুরী তারা। কিভাবে এতো সম্পদের মালিক হলো এই পরিবার? নাজির পাড়া ও আশেপাশের এলাকায় তাদের কোটি টাকার জমি জমার ‍উৎস কি ? দুধর্ষ এনাম বাহিনীর প্রধান এনামুল হক এতোই বেপরোয়া ও দুধর্ষ যে র‌্যাব এর সাথে সামনা সামনি বন্দুকযুদ্ধ পর্যন্ত করেছে সে ও তার বাহিনী। যা টেকনাফ সহ গোঠা দেশের জনগন জানে। এসংক্রান্ত মামলাও রয়েছে তার নামে শুধু বন্দুকযুদ্ধ নই ইয়াবাসহ বিজিবির হাতে ধরা পড়ে সে। এর চেয়ে মাদক ব্যবসায়ী প্রমানের আর কি থাকতে পারে। অথচ সে নিজেকে রক্ষা করতে অামাদের পরিবারকে মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে সংবাদ প্রকাশ করে নিজের অপকর্ম ঢাকতে চায়। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো শাখ দিয়ে কখনো মাছ ডাকা যায় না। তাই সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আকুল আবেদন আমাদের প্রতিপক্ষ ইয়াবা গডফাদারদের চালচক্রে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত সত্য তুলে ধরুন। পাশাপাশি আইন শৃংখলা বাহিনীর উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা রেখে বলতে চাই আমরা সর্বদা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় এবং ভবিষ্যতেও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবো।

বিনীত
রবিউল আলম