সুশীল সমাজের চেহারায় দেশ বিরোধী চক্রের আসল চরিত্র ফাঁস

.jpg

নিউজ ডেস্ক: সড়ক দুর্ঘটনায় রাজধানীর রমিজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের দুজন শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় গড়ে ওঠা সামাজিক আন্দোলনটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য পাঁয়তারা করেছিল একটি স্বার্থন্বেষী মহল। আন্দোলনের প্রথম দুদিন শান্তিপূর্ণ হলেও তৃতীয় দিন থেকে সুবিধাবাদি মহলটি টাকা খরচ করে, ভাড়াটে লোক নামিয়ে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, ভাংচুর, লুটপাট, সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে রাজধানীকে অচল করে দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশকে ছোট ও অস্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরার ষড়যন্ত্র করে। সম্প্রতি বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সুশীল সমাজের মুখোশ পরে রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী একটি চক্র সামাজিক একটি আন্দোলনকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের সুনাম নষ্ট করার পরিকল্পনা করেছিল।

বিভিন্ন সূত্র ও তথ্য-উপাত্তের খবরের ভিত্তিতে জানা যায়, নিরাপদ সড়কের আন্দোলনটিকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহার করে ক্ষমতাসীন সরকারের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করার জন্য দীর্ঘ পরিকল্পিত চক্রান্ত করা হয়। এই চক্রান্তের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন শহিদুল আলম নামের বিতর্কিত একজন চিত্রশিল্পি। শিল্প-সাহিত্য চর্চার আড়ালে এই সুশীলরা দেশের শান্তি বিনষ্ট করার জন্য সদা সক্রিয়। দুর্ঘটনাটি ঘটে যাওয়ার আগে শহিদুল আলমের ই-মেইলে সড়ক দুর্ঘটনার সুযোগ নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলা করার জন্য উসকানীমূলক একাধিক বিদেশি মেইল আসে। মার্টিন থিয়েরি নামের একজন বিদেশি সড়ক দুর্ঘটনায় শহিদুল আলমকে উচ্চবাচ্য করে সরকারকে বিব্রত করার নির্দেশনা দেন।

এছাড়া বিদেশি এনজিও, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, সংস্থাগুলোকে বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টির নির্দেশনা দিয়েও মেইল চালাচালি হয়। এছাড়া বাংলাদেশে কয়েকজন খ্যাতনামা ব্যবসায়ী, আইনজীবী, গণমাধ্যমকর্মী, বিএনপিপন্থী সংস্থা গণস্বাস্থ্য সংস্থার একজন এই আন্দোলনকে সহিংসতার রূপ দিতে জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করেন। এই আন্দোলনের আগুনে হিংসার রসদ জুগিয়েছেন তারা। আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলার এই মিশনকে সফল করতে বিভিন্ন ব্যাংকের লাখ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। ছাত্রদের আন্দোলনকে পুঁজি করে মূলত সরকার পতনের আন্দোলনের স্বপ্ন দেখছিল কুচক্রি মহলটি। এছাড়া আন্দোলনে একাধিক রাজনৈতিক দল কুচক্রিদের সাথে মিলে সরকারকে বিপদে ফেলার সুদূর প্রসারি ষড়যন্ত্র করেছিল।

সুশীল সমাজের পরিচয়ে স্বদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে নিজেদের আসল চরিত্র তুলে ধরেছে তারা। উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশে পথ রুদ্ধ করতে, বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে সদা ব্যস্ত এই মহল। দেশকে সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল করার পরিবর্তে তারা দেশকে ধ্বংস করার চিন্তায় সর্বদা প্রস্তুত। ১৬ কোটি দেশ প্রেমিক বাংলাদেশিরা বরাবরের মতো হাতে গোনা সুশীল নামের কুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের কুপরিকল্পনা, ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।