আসন্ন কোরবান ও নির্বাচনকে সামনে রেখে মিয়ানমার মাদকের বিশাল চালান আসার অপেক্ষায়

yaba_tt-pic_345678-1.jpg

মোঃ আশেকউল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ :
আসন্ন কোরবান এবং পর্যটন মওসূম ও নির্বাচনকে সামনে রেখে পাশ্ববর্তীদেশ মিয়ানমারের মংডু ও আকিয়াবের নৌ-পথের উপকূলীয় এলাকায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবার বস্তা বাংলাদেশের টেকনাফ সীমান্ত ও সাগর পথে পাচারের উদ্দেশ্যে অপেক্ষা করছে। এ তথ্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের প্রেক্ষিতে। জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে ামাদক নির্মোলের উদ্দেশ্যে সরকার জিরোটলারেন্স নীতির প্রতি অটল রয়েছে। এ উদ্দেশ্যে টেকনাফের ৫টি র‌্যাব ক্যাম্প স্থাপিত হয়েছে। মাদক বিরোধী অভিযান চলমান থাকায় মাদক ব্যবসা ও পাচার অনেকাংশে কমে গেছে। কিন্তু এর পরও জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন আলোচিত পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা স্বর্ণ ও মাদক ঢুকছে। এ সময় আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে প্রতিনিয়তই ইয়াবা ট্যাবলেট ও স্বর্ণ জব্দ হচ্ছে। কিন্তু কেন? যেন আটক হচ্ছেনা এর সাথে জড়িত হোতারা। অনুসন্ধানে জানা যায়, মাদক বিরোধী অভিযান এবং বন্দোক যুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীরা খুনের পর আলোচিত শীর্ষ তালিকাভূক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা আতœযোগনে থাকলেও তাদের সিন্ডিকেট ও আতœীয়স্বজনেরা নীরবে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ করে, আসন্ন কোরবান, নির্বাচন ও পর্যচন মওসূমকে সামনে রেখে মিয়ানমারের মংডু উপ-শহর ও আকিয়াবে উপকূলীয় এলাকায় বিশাল ইয়াবার চালান বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে মওজুদের খবর পাওয়া গেছে। দুদেশের সীমান্ত কেন্দ্রিক শক্তিশালী মাদক চোরাকারবারী গড়ে উঠায় মাদক পাচার থামাতে সীমান্তের বিভিন্ন এজেন্সি রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। এ অবস্থায় এর নিয়ন্ত্রন করতে না পারলে মাদকের বিশাল চালান দেশে ঢুকে পড়বে এমন আশংকা করছেন অনেকেই। সীমান্তের মাদক ব্যবসায়ীরা দেশের পরিবেশ পরিস্থিতি অবজার করেছে, পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে। এজন্য ওরা কৌশল অবলম্বন করেই মাদক পাচার ও ব্যবসা করে যাবে।

টেকনাফ ৫টি র‌্যাব ক্যাম্প স্থাপিত হবার পর গোটা সীমান্ত এলাকা এখন থমতমে অবস্থা বিরাজ করছে। এর পরও কিন্তু টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে মাদক আসছে এবং পাচার ও ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না। সম্প্রতি টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ/সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ পূর্ব উত্তর পাড়া বসতভিটায় পৃথক অভিযানে ২লাখ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাওঃ আরমানকে আটক করেছে।

এছাড়া বিজিবি গতকাল সদর ইউনিয়নের রহমান প্রজেক্ট এলাকা হতে উদ্ধার করেছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা।

টেকনাফ ২ বর্ডার গার্ড বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল আসাদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, মাদকের ব্যাপারে বিজিবি জিরো ট্রলারেন্স নীতির উপর অটল থাকবে। সে যেই দলেই হোকনা কেন? তাদের ছাড় নেই। টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়–য়া বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগীতা চায়।