বাংলাদেশকে বিভক্ত করে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করতেও দ্বিধাবোধ করেনি শহিদুল আলম

15930856_403.jpg

নিউজ ডেস্ক : সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করা হয়েছে দৃক গ্যালারি ও পাঠশালা’র প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলমকে। দীর্ঘ দিন ধরেই তিনি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছিলেন। দেশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সভা সেমিনারে তিনি বাংলাদেশ তথা পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধেও নানা প্রকারের নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন।

তার স্বদেশ বিরোধী এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অর্জনে ঈর্ষান্বিত হয়ে ২০১৩ সালের ২৬শে জুন, জার্মাান ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা অবস্থানের বিষয়ে বলেছিলেন “বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র কাজ ‘শোষণ করা”। শহিদুল আলমের উক্ত বক্তব্য প্রমাণ করে তিনি কতোটা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরোধী। তার কথাই প্রমাণ করে তিনি চান পার্বত্য চট্টগ্রামেকে বাংলাদেশ থেকে আলাদা করে উপজাতীদের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হোক!

একজন বাংলাদেশী হিসেবে স্বাধীনতার স্বপক্ষের লোক কখনোই এমন দাবি করতে পারে না। যা পুরোপুরি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান বিরোধী।
বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী যিনি বা যে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি বাংলাদেশ দেশের মুক্তিযুদ্ধ বা দেশের সংবিধান অথবা দেশের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কথা বলবে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে বিবেচিত হবে।

শহিদুল আলমের মতন একজন ব্যক্তিত্ব যখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মতো সুসংগঠিত একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করেন, তখন দেশের রাষ্ট্রবিরোধী মতাদর্শের মানুষগুলোকে রাষ্ট্রবিরোধী কাজ করতে সরাসরি উৎসাহিত করা হয়।

বাংলাদেশের শত্রুরাষ্ট্রের সরাসরি মদদে লক্ষ লক্ষ ডলার হজম করে শহীদুল আলমরা বাংলাদেশের শান্তি সম্প্রিতি ও উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করতে চায়। বাংলাদেশর সেনাবাহিনীর মতো আন্তর্জাতিকভাবে সুগঠিত একটি বাহিনীকে এভাবে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে দেশের শান্তি প্রিয় জনগণের কাছে সেনাবাহিনীকে দাঁড় করতে অবিরাম ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে শহিদুল আলমরা।