হ্নীলায় শুক্কুর মেম্বারের পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

Protibad-o-bekka.jpg

বার্তা পরিবেশক : গত ৬ আগষ্ট সিবিএন ও ৭ আগষ্ট দৈনিক আজকের দেশ-বিদেশ পত্রিকাসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে উক্ত জমির বিএস ৫৩০ খতিয়ানের রেকর্ডিয় মালিক কাদির হোছন। উক্ত কাদির হোছনের মৃত্যুতে তৎওয়ারিশ আব্দু শুক্কুর গংয়ের নামে দিয়ারা ৫৫০নং খতিয়ান রেকর্ড চুড়ান্ত হয়। উক্ত আব্দু শুক্কুর গত ০৮-১০-১৯৯৪ইং ৯২৬নং দলিলমূলে ৪০ শতক জমি সৃজিত মরহুম আবু ছিদ্দিককে বিক্রি করেন। আবু ছিদ্দিকের নামে নামজারী খতিয়ান ৩৬৩৫নং সৃজিত হয়। সেইমূলে দিয়ারা সৃজিত খতিয়ান আবু ছিদ্দিকের ওয়ারিশ স্ত্রী শামসুন্নাহার, মেয়ে রোজিনা আক্তার ও হুমায়রা আক্তার মুন্নীর নামে সৃজিত দিয়ারা খতিয়ান ৩৫০০নং সৃজিত হয়। আমরা উক্ত জমি চাষাবাদ করে ভোগ-দখল করে আসছি। আমার মেয়ে উপযুক্ত হওয়ায় উলুচামরী লামার পাড়ার আব্দু শুক্কুরের পুত্র মোঃ ইসমাঈল প্রকাশ ধইল্যার সাথে বিয়ে দিই। আমি একলা মহিলা হওয়ায় আমার মেয়ে জামাই ধইল্যা চাষাবাদসহ বাড়ি-ঘর দেখাশুনা করে। ইতিমধ্যে আমার ভাসুর শুক্কুর মেম্বার লোভের বশীভূত হয়ে ভাইয়ালী অংশের মিরাজ দাবী করে বসে। এই ব্যাপারে হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদে সালিশ দেওয়া হলে তিনি কৌশলে ৬ মাস যাবত সালিশে হাজির হয়নি। তাই ইউনিয়ন পরিষদ আমার পক্ষে রায় দেন। এরপরও উক্ত মেম্বার বেঁকে বসে থানায় অভিযোগ করলে তৎকালীন এএসআই তাপস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাগজপত্র যাচাই করে আমাদের চাষাবাদের অনুমতি দেন। এরপর নিরুপায় হয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ মাধ্যমে পাগলের প্রলাপ করে আমার মেয়ে জামাই ও তার ভাই দেলোয়ারের বিরুদ্ধে ইয়াবা চোরাচালান এবং অবৈধ অস্ত্রবাজির অভিযোগ আনে। উনি এবং উনার পরিবার কি রকম সৎ তা আপনাদের অবগতির জন্য তুলে ধরা হল।
হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার সৌদি প্রবাসী আব্দুস সোবহানের পুত্র ও শুক্কুর মেম্বারের মেয়ে জামাই আবু তালেব, রঙ্গিখালী লামার পাড়ার আব্দুস শুক্কুর মেম্বারের পুত্র জালাল উদ্দিন ও ভাতিজা আবুল হোছনের পুত্র হোছন আহমদ সিন্ডিকেট মিলে মুখোশের আড়ালে রমরমা ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। মিয়ানমার হতে ২দফায় দেড় লাখ ইয়াবার চালান আসে। তৎমধ্যে ৮০ হাজার ইয়াবা জালাল ও হোছন আহমদ আতœসাৎ করে অবশিষ্ট ৭০ হাজার ইয়াবা নিয়ে থানা পুলিশকে খবর দিয়ে আবু তালেবকে ধরে দেয়। পুলিশ ২০হাজার ইয়াবাসহ আবু তালেবকে আটক দেখিয়ে মাদক মামলায় কারাগারে প্রেরণ করে। সে এখনো কারাগারে রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে কারা মুখোশধারী অপরাধী তা হ্নীলার সকলেই অবগত রয়েছেন। সংবাদে উল্লেখিতরা ইয়াবা কারবারী ও অবৈধ অস্ত্রধারী নয়। তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলাও নেই এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে দিন-মজুরের কাজ করে বসবাস করে আসছে। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে মাদক বিরোধী অভিযানে সক্রিয় থাকা আইন-শৃংখলা বাহিনী দ্বারা ঘায়েল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এই ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী :
শামসুন নাহার
স্বামী :- মরহুম আবু ছিদ্দিক
কোনার পাড়া, রঙ্গিখালী, হ্নীলা।