ইশতেহারে দলীয় ইস্যু আসায় ক্ষুব্ধ বুলবুলের কর্মী সমর্থকরা

2-13.jpg

ডেস্ক নিউজ :
আসন্ন ৩০ জুলাইয়ের রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজশাহী এখন উৎসবের নগরী। নগরী সেজেছে নির্বাচনী সাজে। ভোটারদের মন জয় করার লক্ষ্যে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। গত ১০ জুলাই এই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর দিনই আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন তার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেন।

সবার শেষে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। তবে এই ইশতেহারে উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য কোনো বার্তা এলো না। বরং বুলবুলের ১৮ দফা ইশতেহারের তিন দফায় তিনবার এসেছে আন্দোলনের হুমকি। নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে বিভিন্ন সভা সমাবেশে নগরীর উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কোনো কথা না বলে তিনি বেশিরভাগ সময়েই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন নিয়েই বেশি কথা বলছেন। অথচ এই আন্দোলন করতে গিয়েই মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর বুলবুল পুলিশ হত্যা মামলার আসামী হয়েছেন।

আন্দোলনের ইশতেহার দেওয়ায় ক্ষুব্ধ বুলবুলের কর্মী সমর্থকরা। তারা কোনো আন্দোলন সংগ্রাম চান না। রাজশাহীকে একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান তৃণমুলের নেতাকর্মীরা। বুলবুলের ইশতেহারে দলীয় আন্দোলনের ইস্যু প্রাধান্য পাওয়ায় ক্ষুব্ধ কর্মীরা, কারণ এমন ইশতেহার দিয়ে কখনোই মেয়র নির্বাচিত হওয়া যাবে না। নগরবাসী এমন ইশতেহার আশা করে না ।

ইশতেহার ঘোষণার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বুলবুলের নির্বাচনী প্রচারণা থেকে নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছেন বেশিরভাগ কর্মী।