রাসিক নির্বাচনে ফলাফল নির্ধারণ করবে প্রার্থীদের অতীত ইতিহাস

raj_3723.jpeg

ডেস্ক নিউজ :
রাসিক নির্বাচনের মাত্র হাতে গোনা কয়েক দিন বাকি। নির্বাচনে অংশ নেয়া মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা নির্ঘুম রাত পার করছেন প্রচার প্রচারণায়। জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন রাসিক নির্বাচনের আলোচিত দুই মেয়র প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটন ও মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। এই দুই মেয়র প্রার্থীর মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে রাজশাহীবাসীর বিশ্বাস। দুজনেই রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রাক্তন মেয়র হবার সুবাদে জনগণ তাদের অতীত কর্মকান্ডের ইতিহাস বিবেচনায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছে।

২০০৮ সালে মেয়র নির্বাচিত হয়ে রাজশাহী শহরকে নির্বাচনী ইশতেহার মোতাবেক ঢেলে সাজান খায়রুজ্জামান লিটন। রাজশাহীবাসীর মুখে এখনো বলতে শোনা যায় যে, মেয়র লিটনের সময় যে পরিমাণ উন্নয়ন সংঘঠিত হয়েছে তার ১০ ভাগও বুলবুল থাকাকালীন ৫ বছরে সম্ভব হয়নি। বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু দীর্ঘ ১৬ বছরে রাজশাহী মহানগরের উন্নয়নে ব্যয় করেছেন ৩০০ কোটি টাকা, অপরদিকে খায়রুজ্জামান লিটন তাঁর পাঁচ বছরের কম সময়ে উন্নয়ন খাতে ব্যয় করেছেন প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। তার এ উন্নয়ন কর্মকান্ডের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন সড়ক নির্মাণ ও রাস্তা মেরামত করা। যার সুফল আজো ভোগ করছে রাজশাহীবাসী। এছাড়া রাজশাহীকে একটি পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে তার গৃহীত পদক্ষেপসমূহ এখনো নগরীতে দৃশ্যমান।

অপরদিকে ২০১৩ সালে বিএনপির মেয়র প্রার্থী বুলবুল মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। লিটন মেয়র থাকাকালে উত্তরাঞ্চলের অবহেলিত অথচ গুরুত্বপূর্ণ রাজশাহী শহরকে সব সূচকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির যে গৌরব অর্জন করিয়েছিলেন তা আজ প্রায় শূন্যের কোটায়। খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র থাকাকালীন রাজশাহী শান্তি, সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি আর পরিচ্ছন্ন সবুজের বাসযোগ্য নগরীর যে মর্যাদা লাভ করেছিল সেগুলো সব অতীত হয়ে গেছে।

ভুল থেকে মানুষ শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের প্রস্তুতি নেয়। সে বিবেচনায় আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মহাজোটের মনোনীত প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখবে রাজশাহীর উন্নয়নকামী নাগরিক সমাজ।