মহান আল্লাহর কি বিচিত্র খেলা : এই খেলায় একজন ত্যাগী! অপরজন ভোগী

Teknaf-Pic-B-26-07-18.jpg

মুক্তিযোদ্ধা সোলতান আহমদ :: মহানবী ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন। সংসার-ধর্ম পালন করেছেন। অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মুখোমুখী হয়েছেন ; কিন্তু কামনার বন্ধন এক মুহুর্তের তরেও স্পর্শ করতে পারেননি তাঁকে। জানোয়ার পেট ভরে খেতে জানে কিন্তু ব্যাগ ভরে নিয়ে আসতে জানেনা। হাঁস জলেই অবস্থান করে, কিন্তু সাঝেঁর বেলা যখন উঠে আসে তখন জল নিয়ে আসেনা।
যেসব দেশ ও জাতি অসহায়, গরীব, এতিম, মিসকিনদের ভরণ-পোষণের যাবতীয় ব্যবস্থাটি করে রাখে সেই দেশের, সেই জাতির অভ্যান্তরে নাস্তিক্যবাদ, কমিউনিজম খুব কমই উঁকি-ঝুঁকি মারতে পারে। তাই মহানবী হযরত (সাঃ) ক্ষুধার্ত মানুষটিকে উপদেশ দিচ্ছেন এই বলে যে, আগে খেয়ে নাও, তারপর নামাজ পড়ু। যে দেশে সম্পদের বিরাট বৈষম্যটি থেকে যায় সেখানে অনেক রকম অপরাধের জন্ম হওয়াটা একান্ত স্বাভাবিক। মহান আল্লাহর কি বিচিত্র খেলা! এই খেলায় একজন ত্যাগী অপরজন ভোগী! ত্যাগী ত্যাগ করেই একদিন ত্যাগের কোলে ঘুমিয়ে পড়ে আবার ভোগীও ভোগ করতে করতে রক্ত আমাশয়ে ভূগতে থাকে। ফুল চিরদিন সুগন্ধি ও মধু দিয়ে যায় আর ভ্রমর চিরদিন মধু পান করেই যায়। যেন প্রতিটি জীব একটি নির্দিষ্ট তকদিরের বলয়ে লীলা খেলা করেই চলছে। কেউ বুঝে আর কেউ বুঝেনা। ত্যাগ ও ভোগের মধ্যে পার্থক্য কতটুকু তা নির্ণয়ের ভার মাননীয় পাঠকবৃন্দের উপর ছেড়ে দিলাম।
পরিশেষে একটি কথাই বলতে চাই, আর সেই কথাটি হলো আমি কাকে দোষ দেব ?

লিখক :
সোলতান আহমদ
০১৮৬৬-৪৬৪১০৬
মুক্তিযোদ্ধা তথা মুজিব বাহিনী (১নং সেক্টর),
হ্নীলা, টেকনাফ, কক্সবাজার। ##