রাত পোহালেই কক্সবাজার পৌর নির্বাচন:নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা

03E3272E-333F-4EB5-BBEC-7AEEA91FD35B.jpeg

খাঁন মাহমুদ আইউব :
রাত পোহালেই কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচন।সোমবার রাতেই শেষ হয়েছে নির্বাচনী সব ধরনের প্রচারণা।নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ ও গ্রহন যোগ্য করতে অন্তত হাজার খানেক নিরাপত্তা কর্মী দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।কক্সবাজার নগরের আনাচে কানাচে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী পোষ্টার আর ব্যানারে।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে,২৫ জুলাই (বুধবার)কক্সবাজার পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে মোট ৩৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহন শুরু হবে।ওইসব কেন্দ্রে মোট ভোট কক্ষ থাকবে ২২৪টি।অস্থায়ী কক্ষ থাকবে ১১টি।পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচ জন,সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৭ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৬৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সুত্র আরো জানায়,এবার নির্বাচনে ৩৯টি ভোটেকেন্দ্রে ৩৯ জন প্রিসাইডিং অফিসারের তত্ত্বাবধানে ২২৪ জন সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার এবং ৪৪৮ জন পোলিং এজেন্ট অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৮৩ হাজার ৭২৮ জন।তৎমধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৪৪ হাজার ৩৭৩ জন ও নারী ভোটার রয়েছে ৩৯ হাজার ৩৫৫ জন।জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: মোজাম্মেল হোসেন জানান,তপসীল ঘোষনার পর থেকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছি।ইতোমধ্যে ১২টি ওয়ার্ডের জন্য ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহ একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পেয়েছি।
জেলা পুলিশ সুপার ড. ইকবাল হোসেন জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে যা যা করা দরকার তা করার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।প্রায় এক হাজার জন নিরাপত্তা রক্ষীর স্বমন্বয়ে চার স্তুরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।৩৯টি কেন্দ্রের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য সহ র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এর ৬টি দল থাকবে সার্বক্ষনিক।প্রতিটি কেন্দ্রে ১২ থেকে ১৪ জন পুলিশ থাকবে।প্রতি দুইটি কেন্দ্রের জন্য একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে।জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র আরো জানিয়েছে,আজ মধ্যরাত থেকে ২৫ জুলাই মধ্যরাত ১২ টা পর্যন্ত বেবী টেক্সি/অটোরিক্সা, ট্যাক্সি ক্যাব,মাইক্রোবাস,জীপ,পিকআপ,কার,বাস,ট্রাক ও টেম্পো চলাচল করতে পারবে না।ভোট গ্রহনের পরদিন অর্থাৎ ২৬ জুলাই সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। তবে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী/তাদের নির্বাচনী এজেন্ট,সাংবাদিক,নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য।অপরদিকে জরুরী কাজে নিয়োজিত এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস,গ্যাস,বিদ্যুৎ,ডাক ও টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছে সুত্রটি।