উখিয়া এখন মোবাইল গেমের লুডুতে মাতোয়ার

IMG_20180722_194451.jpg

এম,এস রানা, উখিয়া :
সম্প্রতিক সময়ে মোবাইল ফোন মানব জীবনের একটি অবিচ্ছিন্ন অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির এই বিশ্বে মোবাইল বিহীন জীবন ধারন এক প্রকার কল্পনাহীন।
মুহুর্তেই বিশ্ব হাতের মুটোই চলে আসছে মাত্র নাম মুল্যে ক্রয় করা এ
মোবাইলের বদৌলতে। বিশ্বের নামী দামি কোম্পানী হরেক রখম মোবাইল বাজারে ছেঁড়ে দিয়ে কোটি কোটি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারির হৃদয় জয় করে নিয়েছে ইতিমধ্যে। সেই সাথে মিলছে নানান সফটওয়ার। কুলি, কামার রিক্সাওয়ালা, স্কুল কলেজে পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রী থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কর্মচারি সহ সকল শ্রেনীর মানুষের হাতে শোভাপাচ্ছে স্মার্ট ফোন। এ স্মার্ট ফোন করো জন্য আশর্বাদ হলেও অনেকের কাছে তা অভিশাপে পরিনত হয়ে পড়েছে। স্মার্ট ফোনকে কেন্দ্র করে কিছু সংখ্যক মানুষ ফেইজবুক ভাইরাসে ভুগলেও সম্প্রতিক সময়ে দেশের অধিকাংশ স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারি মোবাইল গেম জ্বরে ভুগছে।
এখন গুগোল প্লেইষ্টোরে চার্জ করলেই মিলছে হরেক রকম খেলার গেম, তৎমধ্যে সবছেয়ে বেশি ডাউনলোড হচ্ছে লুডু খেলার নামক একটি সফটওয়ার। বর্তমানে ঐ লুডু খেলাতেই মাতোয়ারা বিপুল সংখ্যক স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারি। মানবজীবনের হাজারো ব্যস্ততার মাঝে একটু সময় পেলেই বসে পড়ছে লুডু খেলায়। ২,৩,কিংবা ৪ জনে মিলে এ গেম খেলা যায়, আবার অনেকে একা একাও এ গেম গেলে থাকে। খেলা শুধু মাত্র খেলার মধ্যে সীমাবদ্ব না রেখে অনেকে জুয়া খেলায় জড়িয়ে পড়ছে এ লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে। বর্তমানে বাজিতে এ খেলার প্রবনতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আবার অনেকে প্রতিযোগিতা মূলক লুডু খেলার কারনে বাকবিতণ্ডা সহ মারামারির ঘটনাও কম নই। সীমান্তবর্তি উপজেলা উখিয়ার হাটে বাজারে, দোকান, কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্টান সহ সর্বত্র স্মার্ট ফোনের লুডু খেলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে কর্মজীবি মানুষ। বলতে গেলে মোবাইল লুডুতেই ভুগছের উখিয়ার অধিকাংশ স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারি। কোটবাজার দোকান মালিক সমিতির সাবেক পরিচালক বিজন বড়ুয়া বলেন, আমরা বাঙ্গালীরা অলসের জাতি কাজের ছেয়ে অ-কাছে লিপ্ত থাকি বেশী, বর্তমানে স্মার্ট ফোনের সঠিক ব্যবহার না করে অধিকাংশ ব্যবহারকারি অপব্যবহারে লিপ্ত থাকে বেশী। নিজের প্রয়োজনী দৈন্দিন কাজ ফেলে রেখে মোবাইলে বিভিন্ন গেম খেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। যার ফলে চোখের সমস্য, ব্রেইনের সমস্যা, ব্যবসা সমস্যা, ছাত্র-ছাত্রীদের পড়া লেখার সমস্য সহ সমাজে নানান সমস্য সৃষ্টি হচ্ছে। এবং সময় অসময়ে নেশার মতো গেম খেলে অর্নীতিক অগ্রযাত্রাকে বাধাুগ্রস্ত করছে এমনি এক গেম ব্লুহুয়েল সারাদেশে আতংক সৃষ্টি করছিল।আমাদের উচিত যে গেম নিজের ধ্যানকে বিমুখ করে ফেলে সে সব গেম পরিহার করা।