খারাংখালীতে জবর দখল অবৈধ অস্ত্রধারী ও চোর-ডাকাতের অপতৎপরতায় জনজীবন অতিষ্ঠ

K-K.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক : হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী বাজার ও পাশ্ববর্তী এলাকায় জবর দখলকারী, অবৈধ অস্ত্রধারী ও চোর-ডাকাতের অপতৎপরতায় সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বলে একাধিক সুত্রে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
একাধিক সুত্রের সাথে আলাপকালে জানায়,উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালীর মৃত আব্দুর রহমান মালিকানাধীন ১কানি চাষী জমি এবং হ্নীলা মৌলভী বাজারের মাহমুদুর রহমানের মালিকানাধীন চিংড়ী ঘেঁরের জমি স্থানীয় শাহ আলম, ফয়েজ উদ্দিন জিকু, নুর হাশিম, ফরিদ আলমসহ একটি সংঘবদ্ধ গ্রæপ মিলে জবর দখলে নেয়। এই ব্যাপারে টেকনাফ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পরও আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে জবর দখলে রেখেছে। মাদক চোরাচালানে সম্পৃক্ত কম্বনিয়া পাড়া, পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া ও খারাংখালী বাজার সংলগ্ন অর্ধশত অবৈধ অস্ত্রধারী মাদকের চালান খালাস, নিরাপত্তা জোরদার এবং ডেলিভারী দিতে সক্রিয় রয়েছে। এই স্বশস্ত্র গ্রæপের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকা হতে গরু, মহিষ ও ছাগল চুরি করে এনে জবাই করে বিক্রি করে চলছে। এই ৩ চক্রের কারণে উক্ত বাজারে সাধারণ মানুষ কোন বিষয়ে মুখ খুলতে পারেনা। প্রশাসনের চলমান মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও জঙ্গিবাদ বিরোধী অভিযান চলমান সত্বেও এসব চক্রের অপতৎপরতা বিদ্যমান থাকায় সাধারণ মানুষ চরম ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে।এই বিষয়ে স্থানীয় সচেতনমহলের নিকট জানতে চাইলে অনেকে লাঞ্চিত হওয়ার ভয়ে মুখ খুলছেনা।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার জাহেদ হোছাইনের নিকট জানতে চাইলে তিনি এসবের সত্যতা স্বীকার করে আইন-শৃংখলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, টেকনাফের আইন-শৃংখলা অবনতিতে জড়িতদের কোন প্রকারে ছাড় দেওয়া হবেনা। শীঘ্রই অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।