নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থীদের পরিবারের সদস্যরা, স্ত্রীকে নিয়ে বিপাকে বুলবুল

bdbsa.jpg

ডেস্ক নিউজ : আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৮। নির্বাচনকে ঘিরে নগরীতে বইছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বিভিন্ন ধরণের প্রতিশ্রুতির খতিয়ান নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা। এবারের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত হয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাসিকের সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন। বিএনপি থেকে মনোনয়ন নিয়ে এবারের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন হত্যা সহ ১২টি মামলার আসামী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। এবারের রাসিক নির্বাচনে মেয়র পদে ৪ জন প্রার্থী থাকলেও ভোটার মাঠে উল্লেখিত দুই প্রার্থীর মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করছে নগরবাসী।

এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থীদের পাশাপাশি তাদের পরিবারের সদস্যরাও জোর প্রচারণায় নেমেছেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের পক্ষে। লিটনের পক্ষে তার স্ত্রী ও তার মেয়ে নগরীর সর্বত্র নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য লিটনের স্ত্রী শাহিনা আক্তার রেনি রাজশাহী মহিলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর থেকেই নগর মহিলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেত্রী ও কর্মীদের নিয়ে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে লিটনের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। লিটনের মেয়ে অর্ণা জামান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি। লিটনের মেয়েও প্রতিদিন লিটনের একাধিক কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় লিটনের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে শুরুর দিকে বুলবুলের পরিবারের সদস্যরা প্রচারণায় না নামলেও সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে বুলবুলের স্ত্রী বুলবুলের পক্ষে নগরীর বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বুলবুলের ঘনিষ্ঠ একজন আত্মীয়ের বরাত দিয়ে জানা যায়, নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালানো নিয়ে বুলবুলের সাথে তার স্ত্রীর মতবিরোধ চলছে। লিটনের স্ত্রীকে উদাহরণ হিসেবে দেখিয়ে নিজের স্ত্রীকে তার পক্ষে প্রচারণায় নামার জন্য বলেছিলো বুলবুল। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে বুলবুলের পক্ষে প্রচারণায় নামতে অপরাগতা প্রকাশ করেছিলো তার স্ত্রী। তার মতে বুলবুলের পক্ষে তার স্ত্রী হিসেবে প্রচারণায় নামলে তাকে বুলবুলের আগের মেয়াদে মেয়র থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন কর্মকান্ডের জন্য জবাবদিহিতা করা লাগতে পারে। সেজন্য জনসম্মুখে বিব্রত হওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখতেই প্রথমদিকে নিজেকে বুলবুলের নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে বিরত রেখেছিলেন তার স্ত্রী।

কিন্তু পরবর্তীতে বুলবুলের জোর চাপাচাপিতে প্রচারণায় নামতে বাধ্য হয়েছেন তার স্ত্রী। যদিও প্রচারণায় নিয়মিত দেখা যাচ্ছে না তাকে। দুপুরের পর বুলবুলের কয়েকজন কর্মী নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণায় নামলেও অল্প সময় অনেকটা গা ছাড়া ভাবে প্রচারণা চালিয়ে বিকেলের মধ্যে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।