নাইক্ষ্যংছড়িতে বৃক্ষ ও বন জরিপ বিষয়ক তথ্য বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

IMG20180207120119.jpg

শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি(বান্দরবান)থেকেঃঃ
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় লামা বন বিভাগের উদ্যোগে বৃক্ষ ও বন জরিপ বিষয়ক তথ্য বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১টায় উপজেলা টি,টি,সি,আই হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস,এম, সরওয়ার কামাল। কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ সোহেল রানার সভাপতিত্বে উপস্থিত ও বক্তব্য রাখেন নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমন্ডার রাজা মিয়া, নাইক্ষ্যংছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মোবারক হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য সচিব মোঃ ইমরান মেম্বার, সোনাইছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান বাহাইন মার্মা, দৌছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আল হাজ্ব হাবীব উল্লাহ, বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলম কোম্পানী, ঢ়ুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাব সভাপতি শামীম ইকবাল চৌধুরী, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু, ২৭৬ নং তুরগো মৌজার হেডম্যান মংনু মার্মা, ২৭৫ নং ভাল্লুখ্যাইয়া মৌজার হেডম্যান মংশৈ প্রু মার্মা, ২৮৩ নং ঈদগড় মৌজার হেপম্যান থোইলং মার্মা, ২৭৭নং খোরিক্ষং মৌজার হেডম্যান মংছাহ্লা চাক, ২৮০নং আলীক্ষং মৌজার হেডম্যান মংথোইহ্লা মার্মা, ২৭২ নং জারুলীয়া ছড়ি মৌজার হেডম্যান মইও মার্মা প্রমূখ। এছাড়া স্থানীয় হেডম্যান, কারবারী, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন দপ্তর প্রধানদ্বয় তথ্য বিনিময় সভায় অংশগ্রহন করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রধান অতিথি এসএম সরওয়ার কামাল বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পতিত পাহাড়/জমিকে বৃক্ষাচ্ছদনের আওতায় আনা, পানির উৎস সমূহ ব্যবস্থাপনা, বনজ সম্পদ হতে রাজস্ব সংগ্রহ, মাটির অবক্ষয় হ্রাস, ইকো ট্যুরিজম উন্নয়ন সহ নানান উদ্দেশ্য সামনে রেখে সরকার এই জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, বনের অবক্ষয় রোধ এবং বন বৃদ্ধির জন্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন বাস্তবমুখী পদক্ষেপে বিশেষ অবদান রাখবে এই জরিপ। সুন্দরবন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সারাদেশে শুরু হয়েছে এ বৃক্ষ ও বন জরিপ। এক হাজার ৮৫৮টি স্থানে এ জরিপকাজ চলে এখন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় একেবারে শেষের পথে।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মোবারক হোসেন জানান, বনজ সম্পদের সুরক্ষা, এর সর্বোত্তম ব্যবহার সুনিশ্চিত করা, বনের আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং বন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে এ জরিপ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বন অধিদপ্তর এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। তাদের সহযোগিতা করছে স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় সরকার, এফএও, ইউএসএআইডি ও সিলভাকার্বন। ২০১৮ সালে এ জরিপ কাজ শেষ হবে। এটিই প্রথম পরিপূর্ণ দেশের বনজ সম্পদ জরিপ বা গবেষণা কার্যক্রম। এর আগে ২০০৫ সালে সারাদেশে এ ধরনের জরিপের কাজ চালানো হয়। তবে সেটি পূর্ণাঙ্গ জরিপ কাজ ছিল না। জরিপ কাজের এ গবেষণার মাধ্যমে দেশের প্রকৃত বনজ সম্পদ কতটুকু আছে তা চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।