নাইক্ষ্যংছড়ি নোমেন্স ল্যান্ডের বড়ছনখোলাতেও রোহিঙ্গা শূন্য

29-.01.2018.jpg

শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষংছড়ি : বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের নোমেন্স ল্যান্ডে পয়েন্টে অবস্থানরত ৪টি অস্থায়ী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মধ্যে সবচেয়ে বড়ছনখোলা ক্যাম্পটিও রোহিঙ্গা শূন্য করা হয়েছে। গত ২১ জানুয়ারি থেকে ২৯ জানুয়ারি (সোমবার) ৮দফায় এ ক্যাম্প থেকে ৬৫৮৫জন রোহিঙ্গাকে উখিয়া শরণার্থী ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হলো।
সূত্রে জানাযায়, ২১ জানুয়ারি ২৮৩ জন রোহিঙ্গাকে সরিয়ে নেয়ার মাধ্যমে বড়ছনখোলা ক্যাম্পের রোহিঙ্গা স্থানান্তর শুরু হয়। ধারাবাহিকভাবে ওই ক্যাম্প থেকে ২২ জানুয়ারি ৩৭০, ২৩ জানুয়ারি ৮৯৬, ২৪ জানুয়ারি ৮৬১, ২৫ জানুয়ারি ৮৬৫, ২৬ জানুয়ারি ৮৩৭, ২৭ জানুয়ারি ৮১১, ২৮ জানুয়ারি ৮৩৭ এবং সর্বশেষ ২৯ জানুয়ারি ৮২৫ জনকে স্থানান্তর করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন কক্সবাজার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন যুগ্ন সচিব মোঃ শামশুজ্জুহা। সর্বাত্মক সহযোগিতায় ছিলেন রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ড।
এর আগে ১৮ জানুয়ারি উপজেলার সাপমারাঝিরি ক্যাম্প থেকে নেয়া হয় ২২৫৯ জনকে। এই নিয়ে দুই দেশের সীমান্তের নোমেন্স ল্যান্ডের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে দুটি ক্যাম্পের ৮৮৪৪ জন রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর করা হলো। বাকি রয়েছে বাহিরমাঠ ও তুমব্রু কোণারপাড়ার দুটি অস্থায়ী ক্যাম্প।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম সরওয়ার কামাল জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পার্বত্য অঞ্চল থেকে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের কুতুপালং ক্যাম্পে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।সম্প্রতি সাপমারাঝিরি অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা সরিয়ে একেবারে শূণ্য করা হলেও এবার শূণ্য করা হলো বড়ছনখোলা ক্যাম্পটি। বাকী দৌছড়ির সীমান্তের বাহিরমাঠ ও ঘুমধূম কোনারপাড়া সীমান্তের নোমেন্স ল্যান্ড থেকে অবশিষ্ট রয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদেরকেও স্থানান্তর করা হবে। তবে এই স্থানান্তর প্রক্রিয়াটা কোন ধরনের শেয়ার করা হয়নি প্রশাসনের সাথে।এর পরও এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা দরকার।