হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াবাসহ আটক : তবুও কি ঘুম ভাঙ্গবেনা!

2-1.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক : র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্প অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল শুক্কুর কোম্পানী ও সৈয়দ আলম নামে ২ব্যক্তিকে আটক করেছে। এদিকে আলোচিত হোয়াইক্যং ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা আটকের খবরে সীমান্তে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। ইয়াবা চোরাচালানে পৃষ্টপোষকতা দানকারী অনেক জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে অজানা আতংক বিরাজ করছে।
সুত্র জানায়,গত ২৫জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় র‌্যাব-৭,কক্সবাজার ক্যাম্পের মেজর মোঃ রুহুল আমিনের নেতৃত্বে বিশেষ একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর উপজেলার নাফ পাঞ্জাপাড়ার নিয়ামত উল্লাহর বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে দক্ষিণ পাহাড়তলী হালিমা পাড়ার মোঃ কাশেমের পুত্র মোঃ সৈয়দ আলম (৩৪) ও টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের আব্দুল জলিলের পুত্র মোঃ আব্দুল শুক্কুর (৩২) কে ইয়াবা বিক্রির সময় ৮শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ ৮১ হাজার ৫শ টাকাসহ আটক করে। আটককৃতদের সংশ্লিষ্ট মাদক মামলায় কক্সবাজার মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
এদিকে আব্দুল শুক্কুর কোম্পানী হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক,জেলা মিনিবাস মালিক সমিতির নেতা এবং সকলের কাছে মিষ্টভাষী হিসেবে পরিচিত জন। তাকে ইয়াবাসহ আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ায় সীমান্ত জনপদ টেকনাফের রাজনৈতিক অঙ্গন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে দাবী করছে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। আবার একাধিক স্থানীয় সুত্র দাবী করছে সে মৎস্য প্রজেক্ট এবং চাষাবাদের অজুহাতে গোপনে দীর্ঘদিন ধরে এই মাদক চোরাচালান চালিয়ে গাড়ি-বাড়ির মালিক হয়েছে। সুতরাং যেমন কর্ম-তেমন ফল হয়েছে বলে দাবী করেন। কিন্তু দলীয়ভাবে কোন প্রতিক্রিয়া এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার পরও কি টেকনাফে নেতৃত্ব দানকারী জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ঘুম ভাঙ্গবেনা।
টেকনাফ সীমান্তে অধিক জনসংখ্যায় বেকারত্বের সুযোগে কতিপয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের ছত্র-ছায়ায় মাদক চোরাকারবারীরা মুখোশের আড়ালে বেপরোয়া হয়ে উঠার খরব সমুহ উপহাসে পরিণত হলেও মাঝে-মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রশংসনীয় অভিযান সমুহ বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও কাজের কাজ না হওয়ায় যত দোষ নন্দ ঘোষের মত বেকার ও অভাবী বহনকারীদের উপর গিয়ে পড়ে। যার ফলে হাজার হাজার ইয়াবার চালান বহনকারী অসহায় দরিদ্র পরিবারের মানুষ হাজত বাস করছে। সুতরাং এসব মাদকসহ যাবতীয় অপরাধ দমন করতে হলে জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে বলে বিভিন্ন সুত্রের দাবী।