নাইট্যংপাড়া ও কেরুনতলী ঘাট ইয়াবা ঘাটে পরিনত

Yyyy.jpg

টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবার হালচাল-৭ম পর্ব

মোঃ আশেকুল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ :
টেকনাফে পৌরসভার নাইট্যং পাড়া এবং সদরের কেরুনতলী এ ২টি আদমঘাট হিসাবে বহুল আলোচিত হলেও মূলতঃ ব্যবহৃত হচ্ছে, মাদকের ঘাট। এ দুইটি ঘাট টেকনাফ কক্সবাজার প্রধান সড়কের পার্শ্বে। পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের উত্তর নাইট্যংপাড়া পাড়া বনবিভাগের দপ্তরের দক্ষিণ পূর্বে নাফ নদীর তীরে এবং অপর কেরুনতলীঘাট হচ্ছে স্থল বন্দর ও কোষ্টগার্ড বাহিনীর দপ্তরের পার্শ্বে। এ ২টি আলোচিত পাড়া পাহাড়ের পাদদেশে। অনুসন্ধানে জানা যায়, নাইট্যং পাড়া ও কেরুনতলী এ ২টি পাড়ার অধিকাংশ লোক মিয়ানমারের নাগরিক। বর্তমানে তারা বাংলাদেশী নাগরিক সেজে বসবাস করছে। তাদের দৃশ্যমান কোন পেশা না থাকলেও অনেকেই আদম ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। উক্ত পাড়ার সাথে রয়েছে মিয়ানমারের আতœীয়তার বন্ধন। সে সুবাধে চলছে আদম ও মাদকের রমরমা বাণিজ্য। সূত্র আরো জানা যায়, এ ২টি চোরাইপয়েন্ট একাধিক সিন্ডিগেট কর্তৃক পরিচালিত হয়ে আসছে। ইতিপূর্বে ২টি সিন্ডিকেট দ্বারা পরিচালিত হলেও পরিবর্তীতে ভাগে গরমিল হলে সংশ্লিষ্টদের বুঝাপড়ার মাধ্যমে একাদিক সিন্ডিগেট সৃষ্ট হয়। ফলে আদম ও মাদক স¤্রাজ্যে পরিনত এবং কালোটাকার প্রভাবে আধিপাত্যের বিস্তার চলছে এ ২টি ঘাটে। নাইট্যং পাড়া আদম বনাম মাদক ঘাটের বদৌলতে এ জনপদে অনেকের হাতে এখন আলাদিনের ছেরাগ এবং পরিবর্তন ঘটেছে জীবন জীবিকা এবং পাল্টে গেছে, সামাজিক রীতিনীতি। এক সময় যাদের নুন আনতে পান্তার অভাব ছিল, বর্তমানে তারা বনে গেছেন, অডেল সম্পদের মালিক। নাইট্যং পাড়া আদমঘাট দখল নিয়ে দুদলের মধ্যে চলছে, আধিপাত্য বিস্তার। একজন প্রভাবশালীর নেতৃত্বে চলছে ইয়াবা, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রন। কতিপয় আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে সখ্যতা রেখে এ কালো ব্যবসা চলছে। একাধিক সূত্র মতে, নাইট্যং পাড়া আদম ঘাট বনাম মাদক ঘাট দিয়ে এমন কোন রাত নেই যে, ইয়াবা/মাদক আসছেনা। সংশ্লিষ্টদের সাথে চুক্তির মাধ্যমে মাদক ঢুকে। পরে পরিবহণ ট্রাক এবং বিভিন্ন যানবাহনের আড়ালে পাচার হয়ে যায়। কেরুনতলীতে ৩ দলে বিভক্ত। এ ৩ দল মিলে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা, মাদক ও বিয়ার নিয়ে আসে। স্থল বন্দরে আসা মিয়ানমারের পণ্য বোঝাই কার্গোবোট যোগেও ইয়াবা/মাদক চলে আসে এমন অভিযোগ উঠেছে। এসব মাদক কেরুনতলীর মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যায়। পরবর্তীতে এসব মাদক পণ্য বোঝাই ট্রাকের আড়ালে পাচার পয়ে যায়। অতীতে কোষ্টগার্ড বাহিনীর হাতে প্রতিনিয়তই ইয়াবা মাদক ও বিয়ার জব্দ হলে ও এর সাথে জড়িতরা থাকে নিরাপদে। চলবে……….