টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবার হালচাল- (৬)- টেকনাফের মেরিন ড্রাইব সড়ক ইয়াবা পাচারের নিরাপদ রুট

Teknaf-pic-12.01.18.jpg

মোঃ আশেকুল্লাহ ফারুকী : টেকনাফ কক্সবাজার প্রধান সড়কে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের একাদিক চেকপোষ্টে কড়াকড়ী আরোপ এবং ঝুঁকি এড়াতে কক্সবাজার টেকনাফ সমূদ্র উপকূলীয় মেরিন ড্রাইব সড়ক ইয়াবা পাচারের নিরাপদ স্থান হিসাবে বেঁচে নিয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা। অনুসন্ধানে এ সব তথ্য জানা গেছে। তথ্যমতে টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন আলোচিত চোরাইপয়েন্ট দিয়ে চুক্তির মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে বানের ¯্রােতের ন্যায় ইয়াবা এসে মওজুদ হয়। পরে খুচরা ব্যবসায়ী এবং ভাড়াটে পাচারকারীদের হাতে ইয়াবা ট্যাবলেট তুলেদেয়। সিংহভাগ ইয়াবার চালান টেকনাফ কক্সবাজার সড়কে যাতায়াতকারী পরিবহণ ট্রাক এবং বিভিন্ন যানবাহনে আলেদা যোগান তৈরী করে পাচার হয়। অপর দিকে কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইব বিকল্প সড়ক দিয়ে গভীর রাত্রে ব্যক্তি মালিকানাধীন নোহা, মাইক্রো, সিএনজি ও মোটর সাইকেলের আড়ালে ইয়াবা ট্যাবলেট সমানতালে পাচার হয়ে যাচ্ছে। বেশীরভাগ ইয়াবা ট্যাবলেট এর অর্থের লেনদেন এবং সংশ্লিষ্টদের ম্যানেইজ করা অর্থ আদান প্রদান করা হয় মেরিন ড্রাইব সড়কে। মেরিন ড্রাইব সড়কে সংশ্লিষ্টদের তেমন কড়াকড়ী আরোপ না থাকাতে ইয়াবা সংশ্লিষ্ঠদের ইয়াবার চালান সহজে পাচার হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, টেকনাফ সদরের নাজির পাড়া, সাবরাং আলোগুলা, কবির আহমদ চিংড়ী প্রজেক্ট, ৪ নং নয়াপাড়া ¯øুসগেট, কাটাবনিয়া, খুরের মূখ, দিয়ে মিয়ানমার থেকে আসা, বস্তা বস্তা ইয়াবা ট্যাবলেট ব্যবসায়ীরা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বাকীতে বিক্রি করে এবং সেই সাথে ভাড়াটে পাচারকারীদের এবং বিভিন্ন গাড়ীর আড়ালে পাচার করে দেয়। টেকনাফ পৌর এলাকা, টেকনাফ সদর, সাবরাং ও হ্নীলা ইউনিয়নে, খুচরা বিক্রেতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ও পাড়ায় খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ীরা দোকান খুলে প্রকাশ্যে ইয়াবা ব্যবসা করে আসছে। সম্প্রতি টেকনাফ উপজেলা মাসিক আইন শৃংখলা কমিটির সভায় একাদিকবার এব্যাপারে আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও এর ভয়াবহতা এখনো কমেনী বরংচ আরো বাড়ছে। এর পেঁছনে বেশীরভাগ যুবসমাজ জড়িত হয়ে পড়ছে। ইয়াবা আসক্ত পুত্রের হাতে অভিভাবকেরা পর্যন্ত রেহায় পাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে পিতামাতা ইয়াবা আসক্ত পুত্রকে পুলিশের কাছে সোর্পদ করছে। এ নিয়ে অবাধ্য পুত্রের জ্বালা পিতারা গভীর উদ্ধেগের মধ্যে রয়েছে। ইতি পূর্বে মেরিন ড্রাইব সড়কে কালো টাকার লেনদেন নিয়ে ৭ জন আইন শৃংখলা বাহিনীর লোকজন সেনাবাহিনীর হাতে আটক হয়। বর্তমানে তারা জেল হাজতে রয়েছে। আইনশৃংখলা বাহিনী এ বিষয়ে তৎপর হলে মেরিন ড্রাইব সড়কে ইয়াবা পাচার অনেকাংশে রোধ পাবে বলে সচেতন মহল মনে করেন।