চকরিয়ায় ১৪৪ ধারা অমান্য করে জমিতে চাষের অভিযোগ : সংঘাতের আশঙ্কা

6-2.jpg

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া : চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী এলাকায় আদালতের ১৪৪ ধারা আদেশ লঙ্ঘন করে জোরপুর্বকভাবে জমিতে চাষ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার বাদি ও জমি মালিকপক্ষের সাথে অভিযুক্তদের মধ্যে বড় ধরণের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় লোকজন। জমি মালিকপক্ষের দাবি, অভিযুক্তরা ভাড়াটে লোকজন জড়ো করে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে জমিতে চাষ করার চেষ্ঠা করছেন। জমি মালিক উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের ডুমখালী গ্রামের মৃত হাজি ফজল করিমের ছেলে ছৈয়দ আহমদ জানান, ডুলাহাজারা মৌজার বিএস ৩১৮ নং খতিয়ান থেকে সৃজিত বিএস ১৫০৫ নং খতিয়ানের ৩৩২ নং দাগের জিরো দশমিক ৩৮একর ও বিএস ৮৮৩ নং খতিয়ানের বিএস ৩৩৪ নং দাগের জিরো দশমিক ১৭ একরসহ মোট জিরো দশমিক ৫৫ একর জমির ক্রয়সুত্রে মালিক তিনি। ১৯৮২ সালের ২৫ জুন তারিখের ১২৬৬ নম্বর কবলামুলে তিনি এসব জমি ক্রয় করেন। ছৈয়দ আহমদ অভিযোগ করেছেন, জমি ক্রয়ের পর তিনি শান্তিপুর্ণভাবে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন। কিন্তু গত কয়েকমাস আগে স্থানীয় ডুমখালী গ্রামের মৃত ফজল করিমের ছেলে শফিউল আলম ও শফিউল আলমের ছেলে ছরওয়ার কামাল, ছমিদুল হক ও শহিদুল্লাহ লোভের বর্শবর্তী হয়ে আমার ক্রয়কৃত জায়গা জবরদখলের জন্য নানাভাবে অপচেষ্টা চালাতে শুরু করে। এ ঘটনায় জমি মালিক ছৈয়দ আহমদ বাদি হয়ে অভিযুক্ত চারজনকে বিবাদি করে গত ১০ ডিসেম্বর ওই জমিতে ১৪৪ ধারা আদেশ জারী চেয়ে কক্সবাজারস্থ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে একটি এমআর মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রাথমিক শুনানী শেষে আদালত আসামিপক্ষকে ওই জমিতে প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা দেন। একই সাথে আদালত বিরোধীয় ওই জমির ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করতে চকরিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনারকে (ভুমি) এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে চকরিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। ছৈয়দ আহমদ অভিযোগ করেছেন, আদালতের আদেশ লঙ্ঘন করে অভিযুক্তরা কয়েকদিন আগে জোরপুর্বকভাবে আমার জমিতে চাষ করার চেষ্টা করেছে। ওইসময় অভিযুক্তরা ভাড়াটে লোকজন জড়ো করে জমি দখল চেষ্টার পাশাপাশি আমাকে নানাভাবে হুমকি দিয়েছে। #