নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গভীর রাতে ৪ কৃষক অপহৃত

UP.jpg

শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি ::নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাকঁখালী মৌজার লদুর মূখ এলাকার থেকে চার কৃষক অপহৃত হয়েছে । গত ১৯ জানুয়ারি শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টায় খামার বাড়ি থেকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা তাদের তুলে নিয়ে যায়। এ অপহৃত চাষীরা হলেন দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী মৌজার বাসিন্দা মৃত আলী মদনের পুত্র আবু ছৈয়দ (৩৫), গর্জনিয়া ইউনিয়নের থিমছড়ি এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দু রশিদের পুত্র শাহ আলম (৩৫), গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াংগ্যা কাটা এলাকার বাসিন্দা মৃত নুরুল আলমের পুত্র আব্দুল আজিজ (১৬) ও গর্জনিয়া ইউনিয়নের থিমছড়ি এলাকার বাসিন্দা আব্দু রহমানের পুত্র আব্দু রহিম(২৯)। এই অপর্হত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন দৌছড়ি ইউনিয়নের মহিলা মেম্বার রেহেনা বেগম।
সূত্রে জানাযায়, শুক্রবার দিবাগত রাত অনুমানিক ৩টার দিকে দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী মৌজার লদুর মূখ স্থনের খামার বাড়ী থেকে ‘ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় অস্ত্রধারী ৬/৭ জনের একটি সন্ত্রসী দল অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৪জন তামাক চাষীকে তুলে নিয়ে যায় । ওই অপহৃত মধ্যে একজন দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী মৌজার স্থায়ী বাসিন্দা। আর অন্যজনেরা হলেন রামু উপজেলা গর্জনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। তবে গর্জনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা দৌছড়ির বাকঁখালী মৌজার লদুর মূখ এলাকায় জমি বর্গা নিয়ে তামাক চাষ করতেন বলে সুত্রে জানাযায়।
আর এদিকে স্থানিয় বাসিন্দারা জানান, এর আগেও দোছড়ি ইউনিয়নের ছাগল খাইয়া থেকে মুক্তিপণের দাবিতে সন্ত্রাসীরা ৬জন তামাক চাষীকে অপহরণ করে। সে সময়ে বিজিবি-পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালিত হলেও মুক্তিপণের বিনিময়েই সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে অপহৃতদের ছাড়িয়ে আনতে হয়েছিল।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি শেখ আলমগীর জানান, অপহৃত ঘটনা শুনার সাথে সাথে উদ্ধারে পুলিশ-বিজিবির সেনাবাহিনী পৃথক পৃথক অভিযানের টহল শুরু হয়েছে এবং সম্ভাব্য স্থানগুলো ঘেরাও করে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এখনো অপহৃত ব্যক্তিদের পরিবার থেকে থানায় কোন রখম অভিযোগ আসেনি।