ডিএনসিসি উপ-নির্বাচন স্থগিত

dncc_court_1.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উপ-নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছেন আদালত। বুধবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৩ মাসের জন্য নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছেন।এদিন রিটের ওপর আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিল। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার এই রিটের ওপর শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে ব্যারিস্টার আহসান হাবীব ভূঁইয়া আর রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান শুনানি করেন। পরে রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আহসান হাবীব ভূঁইয়া জানান, তারা গতকাল রিট আবেদনটি করেছিলেন।
তিনি জানান, একই আদালতে আরো একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। দুটি আবেদনেই নির্বাচনের জন্য ঘোষিত তফসিলের কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছে। দুটি আবেদনের বিষয়েই আদেশ দেওয়া হবে। রিট আবেদনে বলা হয়, নির্বাচনী এলাকায় সংযুক্ত হওয়া তাদের এলাকায় এখনো নতুন ভোটার তলিকা (সিটি করপোরেশন) প্রকাশ হয়নি। তালিকাভুক্ত ভোটার না হলে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন না। অর্থাৎ রিটকারী প্রার্থী হতে পারছেন না।
তাছাড়া মনোনয়ন দাখিল করতে হলে ৩০০ ভোটারের স্বাক্ষরসহ তা জমা দিতে হবে। কিন্তু, রিটকারীর এলাকার ভোটাররা এখনো তালিকাভুক্তই হননি, যার ফলে তিনি স্বাক্ষর নিতে পারছেন না।
এছাড়া নতুন এলাকায় কাউন্সিলর নির্বাচন না হওয়ায় মেয়র পদই এখনো সৃষ্টি হয়নি আবেদনে বলা হয়। এসব বিষয়ের সুরাহা না হওয়ায় তফসিল বাতিল চাওয়া হয়েছে রিট আবেদনে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ভোট হয়। আওয়ামী লীগের সমর্থনে ওই নির্বাচনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন সদ্য প্রয়াত আনিসুল হক। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতবছরের ৩০ নভেম্বর তার মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ১ ডিসেম্বর থেকে ওই পদটি শূন্য ঘোষণা করে।
এরপর গত ৯ জানুয়ারি ডিএনসিসির মেয়র পদে উপ-নির্বাচন, সম্প্রসারিত ১৮টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর ও ৬টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর এবং ডিএসসিসির সম্প্রসারিত ১৮টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর ও ৬টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।
তফসিল অনুযায়ী, এই নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র কেনা ও জমা দেওয়া যাবে আগামীকাল ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। আবেদনকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২১ ও ২২ জানুয়ারি। তা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ জানুয়ারি।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো প্রচার চালানো যায় না। সে অনুযায়ী ৩০ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।