হোয়াইক্যংয়ে অবৈধ টাকার প্রভাবে বন বিভাগের পাহাড় জবর দখল : বাদ যাচ্ছেনা চলাচলের রাস্তাও

11-1.jpg

জিয়াউল হক জিয়া : হোয়াইক্যংয়ের বালুখালী ডাকাইত্যাঘোন এলাকায় পাহাড় কেটে স্থানীয়দের চলাচলের সড়ক ভরাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ও এ পাহাড় খেকোদের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ জানুয়ারী সকালে আজিম উল্লাহ, রহিম উল্লাহ, ফরিদ উল্লাহ ৩ সহোদর মিলে পাহাড় কাটতে গেলে এলাকাবাসী ও তাদের সাথে রড-কিরিচ নিয়ে দফায় দফায় মারমুখী অবস্থায় পরিণত হলে হোয়াইক্যং বিট কর্মকর্তা ও হোয়াইক্যং ফাঁড়ী পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পাহাড় কর্তনকারীরা পালিয়ে যাওয়া কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ বিট কর্মকর্তা ওমর আলী গাজীকে ম্যানেজ করে দীর্ঘ দিন ধরে এপাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছে।
জানা গেছে, হোয়াইক্যংয়ের বালুখালী ডাকাইত্যাঘোনা বন বিভাগের পাহাড় নিজের প্রভাব বিস্তার করে কাটতে থাকে। কিন্তু এলাকাবাসীর অভিযোগ আজিম উল্লাহ গং অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সাথে প্রায় ১ হাজার লোকের চলাচলকারী রাস্তা ভরাট করে জবর দখল করার চেষ্টা চালায়। এতে স্থানীয়রা বাঁধা দেয়। স্থানীয় মোঃ শফি, আব্দু সালাম, মোঃ ইব্রাহীম বলেন, আজিম উল্লাহ গং অবৈধ টাকার প্রভাব কাটিয়ে সরকারী পাহাড় কাটার মহোৎসব শুরু করে। পাশাপাশি এলাকাবাসীর যাতায়াতের রাস্তাও দখলে আনতে মরিয়া হয়ে উঠে। এতে বাঁধা প্রদান করলে সে দা-কিরিচ নিয়ে হামলায় করতে উদ্ধ্যত হয়। বিষয়টি হোয়াইক্যং পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয় মেম্বার সিরাজুল মোস্তফা জানান, সে ইয়াবা ব্যবসায় করে টাকার মালিক বনে যাওয়ায় কোন প্রশাসনকে পাত্তা দিচ্ছেনা। তারা বিরুদ্ধে ইয়াবা, নারী নির্যাতন ও বনবিভাগের মামলা রয়েছে। তাকে আইনের আওতায় আনতে দাবী জানান তিনি। তবে বিট অফিসারের ভুমিকা রহস্যজনক। হোয়াইক্যং বিট অফিসার ওমর আলী গাজী জানান, তার বিরুদ্ধে আগেও বন বিভাগের মামলা রয়েছে। এ ঘটনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ এসআই নির্মেলন্দু চাকমা বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পাহাড় কাটার কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রলি জব্দ করা হয়েছে। এক ইয়াবা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পাহাড় কেটে সমতল করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।