চকরিয়ায় বিরোধপুর্ণ জমিতে স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে আদালতের নির্দেশ

C.jpg

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া : চকরিয়া পৌরশহরের থানা রাস্তার মাথা এলাকার হাসপাতাল পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মরহুম হাজি সোলতান আহমদের জায়গায় কোন ধরণের স্থাপনা নির্মাণ না করতে উভয়পক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে বিরোধীয় ওই জায়গায় আদালত ১৪৪ ধারা জারী করে তদন্ত পুর্বক প্রতিবেদন দাখিল করতে চকরিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনারকে (ভুমি) ও ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চকরিয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। জায়গার মালিক পক্ষে মরহুম হাজি সোলতান আহমদের ছেলে জয়নাল আবেদিন গংয়ের দায়ের করা (এমআর মামলা নং ১৪/১৮) মামলার প্রেক্ষিতে শুনানী শেষে গতকাল ১০ জানুয়ারী কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে থানা রাস্তার মাথাস্থ চকরিয়া হাসপাতাল গ্রামের আবু ছিদ্দিক, তার ছেলে জসিম উদ্দিন, আব্বাস উদ্দিন, আবু ছিদ্দিকের ভাই নাজিম উদ্দিন, ভরামুহুরী এলাকার আবদুর রাজ্জাক ও আবদুর রহমানসহ ৬জনকে।
মামলার আর্জিতে বাদি চকরিয়া হাসপাতাল পাড়া গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আবেদিন জানান, চিরিঙ্গা মৌজার বিএস ২৯৬ নং খতিয়ানের বিএস ৪০৪ দাগের ৮ শতক জায়গার উপর নির্মিত দোকানঘর ও বসতভিটা বাদির পৈত্রিক সম্পত্তি। এসব জায়গা বেশ কিছুদিন ধরে জোরপুর্বক জবরদখলের অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে অভিযুক্তরা। ইতোমধ্যে তাঁরা জায়গা দখলে নিয়ে সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে ইট, বালু মজুদ করেছে। ঘটনাটি জানতে পেরে বাদি বাঁধা দিতে চাইলেও অভিযুক্তরা তাকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে। এ অবস্থার কারনে তিনি নিরুপায় হয়ে আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করে এমআর মামলাটি রুজু করেছেন।
এদিকে জায়গার মালিক মরহুম সোলতান আহমদের ছেলে কক্সবাজার জেলা ট্রাক মিনিট্রাক পিকআপ চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও ট্রাক পিকআপ মালিক গ্রæপের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবদীন জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা বেশ কয়েকদিন ধরে তার ভোগ দখলীয় বসতভিটা ও মার্কেটের জমি জবর দখলের চেষ্টা এবং হামলা চালিয়ে আসছে। এমনকি প্রকাশ্য দিবালোকে হুমকি দিয়ে আসছে, যেকোন মুহুর্তে তার (জয়নাল আবদীনের) বাড়ি-ঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার এবং তাকে অপহরণ করে প্রাণনাশের। এনিয়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানান।
জয়নাল আবেদিন জানান, সর্বশেষ গতকাল ১০ জানুয়ারী ওই জায়গার ব্যাপারে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক ১৪৪ ধারা জারী করে আদেশ দিলে অভিযুক্তরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তাঁরা গতকাল রাতে আমার ভাগিনা সালাহউদ্দিনের হামলা করতে চেষ্ঠা করেছে। ওইসময় সে কোনমতে দৌঁড়ে পালিয়ে গিয়ে প্রাণেরক্ষা পায়। এ ঘটনায় ভূক্তভোগীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। #