টেকনাফে নাফনদী হতে জেলে অপহরণ : মুক্তিপণে মুক্ত

opharan.jpg

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম / সাদ্দাম হোসাইন : টেকনাফে নাফনদী হতে অপহরণকৃত দুই জেলেকে মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে বিজিপি সদস্যরা। গতকাল শুক্রবার সকাল ৬টায় উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালী মিনা বাজার এলাকার শহর মুল্লুকের পুত্র সোলতান আহমদ (৩৫) ও ছৈয়দ হোসনের পুত্র আব্দুস শুক্কুর (৩০) সকালে মাছ শিকারের জন্য নাফনদীতে যায়। মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী নাগাকুরা ২ ক্যাম্পের বিজিপি সদস্যরা তাদের ব্যাপক মারধর করে। এরপর হোয়াইক্যং এলাকার এক দালালের মধ্যস্থতায় ৩৫হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ১২ঘন্টা পর সন্ধ্যায় এলাকায় ফিরে আসে। তখন জেলেরা ফিরে আসলে হৈ চৈ পরিবেশ ও কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। ফিরে আসা জেলেরা বলেন, তাদের কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা বিজিপি মুক্তিপণ নিয়েছে বলে জানায়। এদিকে নাফনদীতে মাদক চোরাচালান দমনে জেলেদের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হওয়ায় প্রকৃত জেলেদের অনেকে মানবেতর দিনযাপন করছে। তবুও মাদক চোরাচালান বন্ধ হয়নি। াকন্তু কি কি রহস্যজনক কারণে কতিপয় জেলে নাফনদীতে মাছ ধরার সুযোগ পায় এবং চিহ্নিত কিছু বিজিপির দালাল কৌশলে মুক্তিপণ বাণিজ্য চালিয়ে পকেটভারী করে আসছে তা নিয়ে জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
ঝিমংখালী বিওপি কোম্পানী কমান্ডার মকবুল হোসেন বলেন, জেলে অপহরণের বিষয়টি আমরা পরে জানতে পেরেছি। পরে উক্ত জেলেরা নিজ উদ্যোগে ফিরে এসেছে বলে লোকজন থেকে জানতে পেরেছি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী নাফনদী হতে দু’জেলে অপহরণ এবং মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসার সত্যতা স্বীকার করেন। এই ব্যাপারে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের বক্তব্য নেওয়ার জন্য চেষ্টা করেও মুঠোফোন রিসিভ না হওয়ায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।