লামায় বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত

lama-pic-14-dec-17.jpg

লামা সংবাদদাতা :

লামায় শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার খিনওয়ান নু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার ভূমি সায়েদ ইকবাল, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব শেখ মাহবুবুর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা প্রিয়দর্শী বড়–য়া, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা বেঙ্গল ইসমাইল, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন, প্রেসক্লাব সেক্রেটারী মো.কামরুজ্জামান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কামরুল ইসলাম পলাশ।

বক্তারা বলেন, যেসব বুদ্ধি জীবিদের আত্মত্যাগের ফসল হিসেবে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি; তাদের স্বরণে প্রজম্মকে ইতিহাসের দলিল পাঠ করতে হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরু থেকে শেষ অবদি যেসব যেসব শিক্ষক, সাহিত্যিক-সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবি, চলচিত্রকারক, কবি, দার্শনিক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ মুক্ত চিন্তার মানুষদেরকে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে বাঙ্গালীকে মেধ্য শুণ্য করার জগণ্য অপরাধে লিপ্ত হয় পাকিস্তানিরা। এসব বর্বরচিত কাজে সহায়তা করেছিল দেশীয় রাজাকার, আলবদর, আলসামস। এর ফলে আমরা অপূরনীয় ক্ষতির শিকার হয়েছি।

বক্তারা বলেন স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতীর জনককে স্ব-পরিবারে হত্যা, তারপরই চার বুদ্ধিজীবিকে জেলখানায় হত্যা করেও তারা ক্ষান্ত হননি। ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট জাতীর জনকের কণ্যা শেখ হাসিনাকেও হত্যার চেষ্ঠা চালিয়ে স্বাধীন দেশে তাদের শক্তিশালী জঙ্গী অবস্থানের জানান দেয়। জঙ্গীবাদের মাধ্যমে দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র বনানোর জন্য এখনো পরাজিত শক্তি উৎপেতে আছে। সূতরাং নতুন প্রজম্মকে ইতিহাস চর্চা করে স্বাধীনতা ও মননশীল চেতণায় উদ্ভুদ্ধ হয়ে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থেকে ত্যাগি মনোভাব পোষন করতে হবে।