গর্জনিয়ায় এসএমসি কমিটির নির্বাচন : শিক্ষক হয়ে স্ত্রীর পক্ষে প্রচারণা

y„.jpg

শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি : আমির হোসাইন একজন সহকারি শিক্ষক। তবে তিনি এখন ব্যস্ত প্রচারণায়। এই প্রচারণা তাঁর স্ত্রী বেগম খালেদা হোসাইনকে নিয়ে। খালেদা হোসাইন আগামী ২৪ ডিসেম্বর রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের জুমছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এসএমসি কমিটির নির্বাচনে সদস্য পদে লড়াই করছেন। তাঁর প্রতীক দেওয়াল ঘড়ি। আর একই বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসাবে কর্মরত থাকায় এ ব্যাপারে ভোটারদেরকে নানাভাবে প্রভাবিত করছেন আমির হোসাইন। এমন অভিযোগ প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী শাহ আলম ও স্থানীয়দের। জানতে চাইলে রামু উপজেলার সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিমগীর হোসেন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের এসএমসি কমিটির এই নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের আদলে রূপ নিয়েছে। ইউনিয়নের প্রভাবশালীদের চোঁখ নির্বাচনের দিকে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও নির্বাচনের রিটার্ণিং কর্মকর্তা মো.ফয়েজ উল্লাহ বলেন, মনোনয়নপত্র যাচাই ও প্রত্যাহার শেষে গত সোমবার সকালে বিদ্যালয় মিলনায়তনে আটজন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এতে শাহ আলম আনারস, নুরুল আমিন দোয়াত কলম, নুর আয়েশা ছাতা, হাসিনা আক্তার পেয়েছেন বই প্রতীক। অপর প্যানেলে মোঃ ইউনুছ মোরগ, মোছন আলী ফুটবল, রওশন আক্তার কলসি, বেগম খালেদা হোসাইন দেওয়াল ঘড়ি পেয়েছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, ১৯৩৭ সালে এলাকার কৃতি সন্তান, চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক আবুল কাশেম মোঃ ফজলুল হকের দাদা মরহুম আবদু হাদী মুন্সি জুমছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এর পর আবুল কাশেম মোঃ ফজলুল হক ও তাঁর ভাই আজিজ মওলার নিজস্ব উদ্যোগে জুমছড়িকে আলোকিত করার মানসে প্রতিষ্ঠা করেন বদিউল আলম স্মৃতি বিদ্যাপীঠ। তাই ভোটারেরা জুমছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্বাচনে তাঁদের পরিবারের পক্ষে বেশির ভাগ রায় দিবেন।