ওরা দলে দলে সাঁতার কেটে আসছে : এইবার এলো ২৮ জন

3456789.jpg

আব্দুল মাবুদ, শাহপরীরদ্বীপ প্রতিনিধি।
ফের প্লাস্টিক জার ধরে নাফ নদী সাঁতরে এলো আরো ২৮ রোহিঙ্গা। রবিবার সন্ধা ৬টায় ৮ জন ও শনিবার রাতে ২০ জনসহ মোট ২৮ জন রোহিঙ্গা সাঁতরে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ দিয়ে অনুপ্রবেশ করেছে। এরা সকলে রাখাইনের বুচিডং ও রাচিডং এলাকা থেকে আগত।

বিজিবি শাহপরীরদ্বীপ কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল জলিল সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রোববার আসা ৮ জন রোহিঙ্গা বিজিবির হেফাজতে রয়েছে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশানুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে। এছাড়া শনিবার রাতে সাঁতরে আসা ২০ জন ও নৌকায় আসা প্রায় একশ মতো রোহিঙ্গাকে রোববার রাত ৭টার দিকে হারিয়াখালী অস্থায়ী সেনা ক্যাম্পে প্রেরন করা হয়েছে।

এনিয়ে ৭৯ জন রোহিঙ্গা কিশোর যুবক প্লাস্টিক জার নিয়ে সাঁতরে এপারে এসেছে।

রোববার আসা রাখাইনের বুচিডং গুদাম পাড়া, চিংডং এলাকার রোহিঙ্গা যুবক শফিউল আলম, আরাফাত ও আব্দুল মোনাফের সাথে কথা বলে জানা যায়, রোববার বেলা ৪টার দিকে রাখাইনের ডংখালী এলাকা থেকে তারা সাঁতার শুরু করে। ¯্রােতের অনুকুলে সাতরে ও ভেসে তারা ৬ টার দিকে শাহপরীরদ্বীপ জেটি এলাকা থেকে কুলে উঠে।

এসময় বিজিবি সদস্যরা তাদেরকে হেফাজতে রাখে পরে গতকাল রাতে আসা ২০ জনসহ প্রায় একশর মতো রোহিঙ্গাকে হারিয়াখালী অস্থায়ী সেনা ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে তাদেরকে উখিয়ার বালুখালী অস্থায়ী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানো হবে।

রোহিঙ্গারা জানায় ডংখালী এলাকায় নারী-শিশুসহ কয়েক হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় আছে। তারা সুযোগ পেলে এদেশে চলে আসবে। মূলত ওপারে রেখে আসা স্বজনদের নিয়ে যেতে নৌকার জন্য তারা এপারে এসেছে। কিন্তু বিজিবি তাদেরকে ক্যাম্পে পাঠিয়ে দিলে তারা আর স্বজনদের আনতে কোন ব্যবস্থা করতে পারবেনা। সেখানে খাবার ও চিকিৎসার অভাবে রোহিঙ্গারা করুন পরিণতির দিকে এগোচ্ছে । ইউএনএইচসিআর সামান্য খাবার সরবরাহ করেছে কিন্তু তা খুবই অপ্রতুল।