টেকনাফ স্থলবন্দরে রাজস্ব আয়ে গতি ফিরেছে, অতিরিক্ত আড়াই কোটি টাকা আয়

tek-bondor-pic_345672-1.jpg

নুরুল করিম রাসেল, টেকনাফ :
টেকনাফ স্থলবন্দরে রাজস্ব আদা গতি ফিরেছে। অক্টোবর মাসে লক্ষমাত্রার অতিরিক্ত ২ কোটি ৫১ লাখ ৯১ হাজার ৯৪ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। মোট রাজস্ব আয়ের পরিমান ৯ কোটি ৫৫ লাখ, ৯১ হাজার ৮৯৪ টাকা। চলতি অক্টোবর মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ কোটি ৪ লাখ টাকা।
টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা একেএম মোশারফ হোসেন জানান, ৩১১টি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে মিয়ানমার থেকে ৪৮ কোটি ৫৮লাখ ৪৯ হাজার ৮৭৫ টাকার পন্য আমদানী হয়েছে। যার বিপরীতে ৯ কোটি ৫৫ লাখ, ৯১ হাজার ৮৯৪ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। অপরদিকে ২৭টি বিল অব এক্সপোর্ট এর বিপরীতে ১ কোটি ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯৪ টাকার পন্য রপ্তানি মিয়ানমারে রপ্তানী হয়েছে।
এছাড়া অক্টোবর মাসে শাহপরীরদ্বীপ গবাদি পশুর আমদানীর করিডোর দিয়ে ৮৭৮৭টি গরু, ১০৮৮টি মহিষ ও ৩১৪টি ছাগল আমদানী হয়েছে যার বিপরীতে ৫০লাখ ৩শ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রাখাইনে দমন অভিযানের পর মংডুর সাথে বানিজ্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু গত অক্টোবরের মাঝামাঝি টেকনাফ-মংডু সীমান্ত বানিজ্য পুনরায় চালু হওয়ায় রাজস্ব আয় লক্ষমাত্রা ছাড়িয়েছে।
উল্লেখ্য গত সেপ্টেম্বর মাসে রাখাইনে দমন অভিযানের কারণে টেকনাফ স্থল বন্দরের রাজস্ব আয়ের লক্ষমাত্রা অর্জিত হয় নি। সেপ্টেম্বর মাসে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকার রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা রাজস্ব কম হয়েছিল।
টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে আসা পণ্যের মধ্যে কাঠ, হিমায়িত মাছ, চাউল, আচার, শুটকি ও মসলা উল্লেখযোগ্য। উল্লেখযোগ্য রপ্তানী পণ্যের মধ্যে রয়েছে গেঞ্জি, ঔষধ, সিমেন্ট।