মাতামুহুরী নদীতে ভাঙ্গন টেকানো কাজের উদ্বোধন

8-1.jpg

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া:চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী নদীর ভাঙ্গন টেকাতে পাঁচ কোটি ২৩ লাখ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়েছে। ১৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর মুন্সিঘোনা এলাকায় নদীর তীরে আরসিসি ব্লক স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেছেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ। কাজ শেষ হলে বন্যা থেকে মুক্ত হবে উপজেলার লক্ষাধিক জনসাধারণ।
কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের বন এবং পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক লায়ন কমরউদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও বরইতলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী, পানি উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবানের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো.রাকিবুল হাসান, বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল আহমদ সিকদার, এমপির সহকারি মো.নাজিম উদ্দিনসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং পাউবোর কর্মকর্তা ও এলাকার সুধীজন।
স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, চকরিয়া উপজেলার বুকচিরে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীটি আমাদের জন্য একদিকে আর্শীবাদ, অপরদিকে অভিশাপ। কৃষকরা নদীর মিঠাপানির সেচ সুবিধা নিয়ে প্রতিবছর চাষাবাদ করছে। আবার বর্ষাকালে নদীতে পাহাড়ি ঢল নামলে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি ঢুকে জনগনের সবকিছু তছনছ হচ্ছে। তাই নদীর ভাঙ্গন রোধে আমি চেষ্ঠা করে যাচ্ছি, যাতে চকরিয়াবাসি কিছুটা হলেও স্বস্থিতে থাকতে পারে। তিনি বলেন, বরইতলী ইউনিয়নে শুরু করা আরসিসি ব্লক স্থাপনের কাজটি শেষ হলে উপজেলার বরইতলী, কৈয়ারবিল ও হারবাং ইউনিয়নের অন্তত লক্ষাধিক মানুষ বন্যার কবল থেকে মুক্ত থাকতে পারবে। কাজের শুরুতেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছতার মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দিয়েছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো.রাকিবুল হাসান বলেন, প্রতিবছর বর্ষাকালে মাতামুহুরী নদীতে পাহাড়ি ঢল নামলে বরইতলী ইউনিয়নের নদীর তীর এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গনের শুরু হয়। এ অবস্থার উত্তোরনে পাউবোর পক্ষ থেকে বরইতলী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকার মুন্সিঘোনা পয়েন্টে নদীর তীরে চারশত মিটার আয়তনের আরসিসি ব্লক স্থাপনে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিই। তিনি বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ ইলিয়াছের সুপারিশ ইতোমধ্যে প্রকল্পের বিপরীতে অর্থবরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে আমরা টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিকাদারের কার্যাদেশ চুড়ান্ত করে প্রায় ৫ কোটি ২৩ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়েছে।