অপব্যবহার হচ্ছে বন্ড সুবিধার : এনবিআর চেয়ারম্যান

bondl-20171005030824.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক:জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেছেন, বিনা শুল্কে আমদানি পণ্য বা বন্ড সুবিধার অপব্যবহার হচ্ছে। যার পরিমাণ প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা। এ অপব্যবহার না হলে এ টাকা অবোকাঠামে খাতে ব্যয় করা যেত। এ অবব্যবহার রোধে তৈরি পোশাক খাতকে সহযোগিতা করতে হবে।
বুধবার রাজধানীর এক হোটেলে ‘পোশাক শিল্পের বর্তমান ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। আলোচনার আয়োজন করে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
নজিবুর বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে তাল মেলাতে সরকারের রাজস্ব আহরণ বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে তৈরি পোশাক খাতসহ সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে। কারণ উন্নয়নের অক্সিজেন হলো বাজস্ব।
এনবিআর চেয়াম্যানের এ বক্তব্য একমত নন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। তিনি নজিবুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি বলেছেন ৬০ হাজার কোটি টাকা বন্ডের সুবিধার অপব্যবহার হয়। বন্ড শুধু গার্মেন্টস সেক্টরে আছে তা কিন্তু নয়। বিভিন্ন সেক্টরে এটা আছে।
তৈরি পোশাক খাত থেকে এনবিআরকে সবরকম সহোযোগিতা করা হবে। আমরা অনেক দিন ধরে শুনে আসছি বন্ডের অপব্যবহার হচ্ছে। তবে কোথায় অপব্যবহার হচ্ছে সেটা খুঁজে বের করার দায়িত্ব এনবিআরের। এ দায়িত্ব আমাদের নয়।
উল্লেখ্য, রফতানিকে উৎসাহিত করার জন্য সরকার কতিপয় খাতে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়ে থাকে। এসব কাঁচামাল কেবল রফতানিকৃত পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হবে এই শর্তে আমদানিকারকরা এই সুবিধা গ্রহণ করেন। কিন্তু এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বন্ড লাইসেন্স নিয়ে এসব কাঁচামাল রফতানিতে ব্যবহার না করে অধিক মুনাফা লাভের জন্য স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন।
গোলটেবিল বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএ সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাছির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।